মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ গোবিন্দগঞ্জ সদরে প্রতিষ্ঠার দাবীতে বিক্ষোভ,প্রতিবাদ অব্যাহত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০০ গজপূর্বে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে অত্যন্ত অঞ্চলে এই গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠানটি না করে গোবিন্দগঞ্জ সদরে করার দাবীতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ও আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ,প্রতিবাদ ও স্মারকলিপি প্রদান অব্যাহত রেখেছে। গত২৫ নভেম্বর অভিযোগ,২৮ নভেম্বর বিক্ষোভ, স্মারকলিপি,প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে প্রস্তাবিত মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ অনত্র স্থানান্তরের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান নানা কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছে।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সুধীজন এই মুক্তিযোদ্ধা স্কুল এন্ড কলেজ(যেখানে কেজি থেকে গ্রাজুয়েট পর্যন্ত)সেই গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠানের শহরে স্থাপনের স্থানান্তরে গুরুত্ব ও যৌক্তিকতা নিয়ে যখন আন্দোলনে ব্যস্ত তখন কয়েক জন স্বার্থনেশী লোকচক্ষুর আড়ালে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করতে প্রায় ৭০টি পদের আদলে কোটি-কোটি নিয়োগ বানিজ্য সহ নানা কার্যক্রম শুরু করেছেন। রাজাহার ইউনিয়নে মাত্র ১৪ হাজার লোকের বসবাস। সেখানে ৩টি উচ্চ বিদ্যালয় ৬টি দাখিল মাদ্রাসা ৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি এবতেদায়ী মাদ্রাসা আছে। বর্তমানে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রী সংকটে ভুগছে। অপর দিকে গোবিন্দগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সহ শিক্ষানুরাগিরা চায় মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম সহ সর্বস্তরের জনসাধারণের ছেলে মেয়েরা এ প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতে পারে। এ সুবিধার্থে উপজেলা সদরে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করে আন্দোলন করে যাচ্ছেন, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ছাদেক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ -সভাপতি প্রধান আতাউর রহমান বাবলু, যুগ্নঃ সাধারণ সম্পাদক মিয়া আসাদুজ্জামান হিরু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম আজাদ, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হান্নান মন্ডল, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলু রহমান পুটু, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, আব্দুল কাফি প্রধান, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবেদ আলী ও নওগাঁ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল ইসলাম রকেট,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি গোলাম রব্বানীসহ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে সদ্য প্রস্তাবিত ওই প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান এমবি এ জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানটির সাথেও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাও আছে। আমাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধারা নেই এটা ঠিক নয়। তিনি আরও বলেন, আমরা নিয়োগ বানিজ্য করিনি, আমাদের কয়েকজনের টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করছি। কয়েক দিনের মধ্যেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির স্থাপনের শুরুতেই নানা অভিযোগ, ভবিষৎ এ এমপিও হবে কি? না, নাকি মুখ থুবড়ে পড়বে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের অনুমোদন নেয়া আছে।
.


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷