https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত: দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ, গ্রেফতারের দাবি - Gaibandha Online Portal

Breaking News

পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত: দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ, গ্রেফতারের দাবি

 গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ী হাটে দোকানপাট বন্ধ রেখে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। 

পলাশবাড়ীতে ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত: দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ, গ্রেফতারের দাবি

সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে কালীবাড়ী হাটবাজারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনার পর থেকে মুরগি হাট এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ

পলাশবাড়ী উপজেলা হাটবাজার ব্যবসায়িক সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি শাহজাহান সরকার। সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু সমাবেশ পরিচালনা করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহিদ মুন্সি,
পলাশবাড়ী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর শাখার সহ-সভাপতি জয়নাল মাস্টার,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন হযরত,
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার,
বিশিষ্ট মসলা ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান,
ব্যবসায়ী সুমন,
এবং ইজারাদারের পক্ষে সোলাইমানসহ আরও অনেকে।

বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের নেক্কারজনক ঘটনা রোধে সকল ব্যবসায়ীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তারা।

ঘণ্টাব্যাপী দোকান বন্ধ ও মিছিল

এর আগে ব্যবসায়ীরা প্রায় এক ঘণ্টা কালীবাড়ী হাটের সব দোকানপাট বন্ধ রাখেন। পরে দোষীদের শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা হাটের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ী মুরগি হাটে মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

এ সময় সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ধারাই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী সুমন ও মিলন—এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রেজাউল মিয়ার তর্ক হয়।

একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক চরমে পৌঁছালে সুমন ও মিলন ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে রেজাউলের পেট ও মাথায় আঘাত করে।

রেজাউলের অবস্থা আশঙ্কাজনক

গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার চিৎকারে আশপাশের ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷