অভিযোগ করে বিচার না পাওয়ায়, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বাহিরডাঙ্গা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ করে বিচার বা কোন প্রকার আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় হতাশ প্রকাশ করে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রায় ১ মাস যাবৎ থানায় এককই ব্যক্তি বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করে ও কোন বিচার না পাওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বার সহ স্থানীয়দের দ্বারে দ্বারে ঘুড়ছেন বিচারের আশায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বিবাদী অভিযোগকারী সুজন মিয়ার প্রতিবেশীর চাচা সম্পর্কের গত মাসে সুজন মিয়ার প্রতিবন্ধি স্ত্রী পারভীন বেগম কে কুপ্রস্তাব দেয় এবং টানা হেচড়া করিলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গেকে জানালে অভিযুক্ত একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১ নভেম্বর রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় সুজন মিয়ার বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে বসতবাড়ীর জিনিস পত্র ভাংচুর করে ও অভিযোগকারী সুজন মিয়া কে মারধর করে।
পরে সুজন মিয়া ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন হুমকি ধামকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এবং এঘটনায় পরবর্তীতে স্থানীয়দের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিলে অভিযুক্ত ব্যক্তির হুকুমে কে বা কারা সুজন মিয়ার বন্ধকি পুকুরের এমাসে গত ২১ নভেম্বর তারিখে রাতে কোন এক সময় বিষ প্রয়োগ করে পুকুর মাছ মেরে ফেলে।
এরপরের দিন ২২ নভেম্বর আবারো পূর্বে ঘটনায় মামলা দায়ের করিলে জানে শেষ করে ফেলা সহ আরো ক্ষয়ক্ষতি করিবে মর্মে হুমকি ধামকি দেয়।
অভিযোগকারি সুজন মিয়া এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের পর থানা পুলিশের এস আই সঞ্জয় কুমার একাধিকবার সরেজমিনে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লোকমান হোসেন অসুস্থ থাকায় তার কোন মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পদশালী ও প্রভাবশালী এছাড়া চরিত্রহীন চিহৃিত সুদারু বটে। সুজন মিয়ার ঘটনার একটু হলেও সত্যতা রয়েছে। ঘটনায় কোন প্রকার প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করলে ঘটনার কিছু না কিছু সত্যতা পাওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।
তবে এঘটনায় অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন কে না পাওয়ায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সঞ্জয় কুমার জানান, বরাবর এককই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন সুজন মিয়া অভিযোগ করে লাপাত্তা থাকেন যেমন তেমনি অভিযুক্ত ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন কেও পাওয়া যায়নি। আর অভিযোগের ভিক্তিতে সাক্ষীগণ তেমনি কোন সাক্ষ্য প্রমাণ দিতে পারায় কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।
অভিযোগকারী সুজন মিয়া সাক্ষি প্রমাণ আছে দাবী করে একাধিক অভিযোগ দায়ের করার পরেও থানা পুলিশ কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় হতাশ প্রকাশ করে। তদন্ত সাপেক্ষে বিবাদী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দৃষ্ঠান্ত মূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এঘটনায় পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মাসুদুর রহমান জানান,অভিযোগের ভিক্তিতে সরেজমিনে তদন্তকর্মকর্তা গিয়ে অভিযোগের গরমিল পাওয়ায় এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷