https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 পলাশবাড়ীতে উপজেলা পরিষদে অবৈধ অনুপ্রবেশ,হামলা, ভাংচুরের দায়ে থানায় মামলা - Gaibandha Online Portal

Breaking News

পলাশবাড়ীতে উপজেলা পরিষদে অবৈধ অনুপ্রবেশ,হামলা, ভাংচুরের দায়ে থানায় মামলা

এলাকায় ধুম্রজাল
পুলিশের উপস্থিতিতে অবৈধ বসতি উচ্ছেদের ঘটনায় পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের অবৈধ অনুপ্রবেশ করে ভাংচুর ও সরকারী কর্মচারিকে কাজেবাধাদান আহত ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলা দায়ের অভিযোগের ঘটনায় উপস্থিত ছিলো না বা এলাকায় নেই এমন ব্যক্তিকে আসামী করায় ঘটনায় জড়িত একাধিক চিহ্নিত ব্যক্তিকে আসামী না করায় অত্র এলাকায় ধুম্রজাল সৃর্ষ্টি হয়েছে।
জানা যায়,গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ সংগ্লন্ন উপজেলা পরিষদের নিজেস্ব আবাসিক এলাকায় পতিত জমিতে ও পরিষদের আবাসিক ভবনের পায়খানায় হাউজের উপরে ভূমিহীন বেশকয়েকটি পরিবারের বসবাস। তারা উক্ত স্থানে অবৈধভাবে বসতি গড়ে টিনের বাড়ী ঘর নির্মাণ করে ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বসবাস করতো।
গত ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগ মূহুর্ত হতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোহাম্মাদ তোফাজ্জল হোসেন নির্দেশে উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কউম্পিটার অপারেটর আনোয়ার হোসেন @ খোকন,ইউএনও ড্রাইভার আশরাফুল ইসলাম, উপজেলার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী প্রভাত,মুক্তিযোদ্ধা অফিসের পিয়ন আমিনুল স্থানীয় দুই কিশোর অবৈধ বসত বাড়ী গুলো উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করে।
এসময় উচ্ছেদ কার্যক্রম রাত ৯ টায় পর্যন্ত চলাকালিন সময়ে অবৈধভাবে বসবাসককারীরা উচ্ছেদকারীদের নিকট পরেদিন পর্যন্ত সময় প্রার্থনা করে। এসময় উচ্ছেদকারীরা উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দোহাই দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যহত রাখা। ও ভুক্তভোগীদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট যেতে বাধা দেয় আনোয়ার হোসেন। এতে করে উপস্থিত স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উত্তেজিত হলে উক্ত স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ভবনের ছাদে থাকা নির্বাহী অফিসার নিচে নেমে আসে এরপর উত্তেজিতরা প্রাচী টপকিয়ে আনোয়ার হোসেন কে কিলঘুষি মারা সহ উচ্ছেদকারীদের ধাওয়া করলে তারা পরিষদের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপর আক্রোম করে তার বাসায় ইটপাটকেল ছুড়ে বলে তৎক্ষনাত জানা যায়। এঘটনার পর পরিষদের সীমানার বাহিরে থাকা উত্তেজিতদের একটি অংশ পলাশবাড়ী চৌমায় রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদ করতে থাকে এসময় পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জের শান্তিপূর্ণ হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যহার করে উত্তেজিতরা উপজেলা পরিষদের সামনে প্রায় ২০ মিনিট বিক্ষোভ করে।
এ ঘটনায় সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের স্থলে উপস্থিত না থাকা একাধিক ব্যক্তির নামসহ ১৭ জন নামীয় ও অজ্ঞাত প্রায় ৫০ - ৬০ জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ে করে উপজেলা পরিষদের সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিটার অপারেটর আনোয়ার হোসন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ২৬ অক্টোবর বিকাল ৩ টা হতে উপজেলা পরিষদের সীমানায় অবৈধ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনায় ঘটনার দিন রাত ৯ হতে ১০ টার মধ্যে সময়ে পুলিশের উপস্থিতিতে এজাহার নামীয় ব্যক্তিরা সহ অজ্ঞাতনামা প্রায় ৫০ -৬০ জন ও পর্বর্তীতে সংখ্যা দাড়ায় ১২০ জন হতে ১৩০ জন।অভিযুক্ত ব্যক্তি গণের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদের ভিতরে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র সহ অবৈধ অনুপ্রবেশ করে অভিযোগকারীকে মারডাং, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে গালিগালাজ ও তাহার বাসভবনে হামলা ভাংচুর সহ বাসার ভিতরে অবৈশ অনুপ্রবেশ করা চেষ্টা উপস্থিত অন্যান্য কর্মচারীদের উপর হামলার করার অভিযোগ দায়ে করে।
অভিযোগের ভিক্তিতে পলাশবাড়ী থানায় ১৪৭/১৫৮/১৪১/ ১৮৮/ ৩৩২/৩৫৩/৪৪৭/৪২৭/ ৫০৬(২)পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায়, দাঙ্গা সৃর্ষ্টি করিয়া উপজেলা পরিষদে অনাধিকার প্রবেশ সরকারি কর্মচারিকে কাজে বাধাদান, আহত ক্ষতি সাধন ও ভয়ভীতি প্রর্দশনের অপরাধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন আনোয়ার হোসেন।
এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল আলম জানান, উক্ত ঘটনায় গতকাল ২ নভেম্বর অত্র থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং ২ /২/১১/১৭ইং মামলার আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে এঘটনায় আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী জোড়ালো তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। এ মামলায় উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সদস্য সচিব যুবনেতা আশরাফুল ইসলাম তিতাস কে উক্ত মামলার ৪ নাম্বার আসামী করায় সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোর মাঝে চাপাক্ষোভ বিরাজ করছে।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷