পলাশবাড়ীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের দ্বারা ৫ম শ্রেনীর এতিম ছাত্রী ৫ মাসের অন্তসত্বা
ইভটিজিং,যৌন নিপিরণ, নারী নির্যাতন,ধর্ষণ ও হত্যা সর্বত্র চলছে কোনটা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে নিরবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃক ৫ ম শ্রেনীর এক এতিম ছাত্রীকে মাসের পর মাস ধর্ষন।। ধর্ষিতা ৫ মাসের অন্তসত্বা ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত শিক্ষিত বেহায়ারা।।
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজ স্কুলের ৫ ম শ্রেণীর এতিম ছাত্রীকে দিনের পড় দিন শ্রেনী কক্ষ সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।এদিকে দিনের পর দিন ধর্ষনের ঘটনায় স্কুল ছাত্রী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার কর্তৃক লম্পট শিক্ষকের ৫ দিনের ছুটি মঞ্জুর সহ বদলির বিষয়ে তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ সত্যতা মিলেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউপির কাশিয়াবাড়ী ২নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জানাযায়,ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী ও তার অভিভাবকরা সাংবাদিকদের জানান পিতা মাতা না থাকার সুবাদে অনাথ সুমাইয়া তার নানা বাড়ী কাশিয়াবাড়ী শ্রী মুখ পাড়া গ্রাম থেকে লেখা পড়া চালিয়ে আসছিল।
দরিদ্র এ পরিবারের সুযোগ নিয়ে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিউল আলম প্রধান শফি ৪র্থ শ্রেনীতে অধ্যায়ন করা থেকেই বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে উক্ত ছাত্রীকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে বিষয়টি ইন্টারনেটে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্রীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।
সে কখন ও শ্রেনী কক্ষে আবার কখন ও মটর সাইকেলে তুলে নিয়ে ছাত্রীকে আবাসিক কোন হোটেল কিংবা বিভিন্ন বিনোদন পার্কে নিয়ে প্রায়ই তার সাথে দৌহিক মেলামেশায় লিপ্ত হতো।এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্রীটি ৫ মাসের অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।
ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ছাত্রীর অভিভাবক নানা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন,ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও সভাপতি সরনাপন্ন হলে তারা কৌশলে ছাত্রী ও তার পরিবারকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য গোপন রাখার পরামর্শ দেয়।পাশাপাশি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ডিএনসির মাধ্যমে ছাত্রীটির গর্ভজাত সন্তানকে নষ্ট করার পরামর্শ প্রদান।এতে ছাত্রী ও তার পরিবার অস্বিকৃতি জানালে লম্পট শিক্ষক শফি, প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও সহ সহকারী শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন মামলা না করার জন্য তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।
শতবাধা সত্বেও ২১ অক্টোবর ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি এলাকাবাসীকে অবগত করলে অবস্থার বেগতিক দেখে চতুর সহকারী শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন লম্পট শিক্ষক শফিকে ছুটিতে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করে। পরামর্শ মোতাবেক লম্পট শিক্ষক ছুটির আবেদন করলে সহকারী শিক্ষা অফিসার তার ৫ দিনের ছুটি মঞ্জুর করেন।
সেই থেকে শিক্ষক শফি পালাতক রয়েছে।তবে থানায় অভিযোগ থেকে বিরত থাকার জন্য ছাত্রী ও তার পরিবারকে হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী থানার ওসি মাহামুদুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
ছাত্রীটির পরিবার হতে উক্ত লম্পট শিক্ষক শফির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।



কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷