তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে আ.লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে—দাবি বিএনপি প্রার্থীর
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে আওয়ামী লীগকে গণতান্ত্রিক রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে—এমন দাবি করেছেন বিএনপির এক প্রার্থী। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; বরং গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক সহাবস্থানে আস্থাশীল।
রোববার (তারিখ) নির্বাচনী প্রচারণা/জনসভা/পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে ওই বিএনপি প্রার্থী বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার রাজনীতি করা হবে না। আওয়ামী লীগসহ সব দলই সংবিধান ও আইনের মধ্যে থেকে রাজনীতি করার সুযোগ পাবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, ভোটাধিকার নিশ্চিত হবে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে। অতীতে যেভাবে বিরোধী দল দমন করা হয়েছে, ভবিষ্যতে সেই পথ অনুসরণ করা হবে না।”
ওই প্রার্থী দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান আসবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে। এজন্য সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র মানেই বিরোধী মতের সহাবস্থান। কাউকে দমন করে নয়, জনগণের রায়ে সরকার গঠিত হবে।”
এ সময় তিনি বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷