https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 ওষুধ ছাড়াই দীর্ঘায়ুর দাবি—জীবনযাপন ও মানসিক শক্তিকেই সুস্থতার মূল বলছেন লেখক - Gaibandha Online Portal

Breaking News

ওষুধ ছাড়াই দীর্ঘায়ুর দাবি—জীবনযাপন ও মানসিক শক্তিকেই সুস্থতার মূল বলছেন লেখক

 ওষুধনির্ভর চিকিৎসাব্যবস্থার বাইরে গিয়ে জীবনধারা, মানসিক প্রশান্তি ও প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগকেই সুস্থ ও দীর্ঘ জীবনের মূল চাবিকাঠি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এক আলোচিত লেখায়। লেখকের দাবি, সচেতন জীবনযাপন, উপবাস, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলে মানুষ ওষুধ ছাড়াও সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে।

ওষুধ ছাড়াই দীর্ঘায়ুর দাবি—জীবনযাপন ও মানসিক শক্তিকেই সুস্থতার মূল বলছেন লেখক


লেখায় বলা হয়, আধুনিক সমাজে সুস্থতার সংজ্ঞা কেবল মেডিকেল রিপোর্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। অথচ শরীরকে একটি স্বয়ংক্রিয় ও বুদ্ধিমান সিস্টেম হিসেবে দেখলে অনেক ক্ষেত্রে প্রাকৃতিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। লেখকের মতে, সামান্য অসুস্থতায় অতিরিক্ত ওষুধ গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে দমন করে এবং দীর্ঘমেয়াদে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।

উপবাস ও অটোফেজির কথা তুলে ধরা হয়েছে
লেখায় জাপানি বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওসুমির গবেষণার আলোকে ‘অটোফেজি’র কথা উল্লেখ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় উপবাস থাকলে শরীরের ভেতরে ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ও টক্সিন পরিষ্কার হয়—এমন ধারণা তুলে ধরে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের কথাও বলা হয়েছে।

মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব
লেখক দাবি করেন, মানুষের বহু রোগের উৎস মানসিক চাপ, দমিয়ে রাখা আবেগ ও দীর্ঘদিনের ক্ষোভ। হাসি, কান্না, ক্ষমা এবং সামাজিক সম্পর্ককে সুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষমা ও সম্পর্ককে ‘মানসিক ডিটক্স’ বলেও আখ্যা দেওয়া হয়।

খাদ্যাভ্যাস, জলপান ও ঘুম
প্রাকৃতিক ও তাজা খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার, নির্দিষ্ট নিয়মে জল পান এবং রাত ১০টার মধ্যে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। লেখকের মতে, শরীরের জৈবঘড়ির সঙ্গে মিল রেখে ঘুমালে শরীর নিজেই মেরামতের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ ও শ্বাসপ্রশ্বাস
খালি পায়ে হাঁটা, সূর্যের আলো গ্রহণ এবং গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলনকে শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তির উপায় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে নার্ভ সিস্টেম শান্ত হয় এবং স্ট্রেস কমে—এমনটাই লেখকের বক্তব্য।

জীবনের উদ্দেশ্য ও আধ্যাত্মিকতা
লেখায় জাপানি ধারণা ‘ইকিগাই’র কথা উল্লেখ করে বলা হয়, জীবনের উদ্দেশ্য থাকলে মানুষ দীর্ঘদিন সক্রিয় ও সুস্থ থাকতে পারে। বার্ধক্যকে অভিশাপ নয়, বরং জীবনের অভিজ্ঞ অধ্যায় হিসেবে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।


সুস্থতার চাবিকাঠি হাসপাতাল বা ওষুধের বাক্সে নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা ও মানসিক শক্তির মধ্যেই লুকিয়ে আছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷