গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কর্তৃক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে কার্যালয় থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ
তিনি আরো জানান বিগত বছরের ন্যায় এবারো অনুরুপ বরাদ্দ আসলে ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার বেগম উপজেলা চেয়ারম্যানের সরনাপন্ন হলে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।এসময় ভাইস চেয়ারম্যান বলেন বরাদ্দের সুসম বন্টন না হলে তিনি মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের সরনাপন্ন হবেন।
আর এতেই উপজেলা চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের চেয়ার থেকে লাফিয়ে ওঠে অফিস ভর্তি মানুষের সামনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগমকে অপমান করে ঘড় থেকে তাড়িয়ে দেয়।
দম্ভো করে বলেন আপনি এমপির কাছে যান। এমপিই আপনার কি করে সেটাই দেখবো এসময় তিনি লজ্জা অপমানে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন।
পরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহায়ক আনিছকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে বদলী করার হুমকি প্রদান।
আর এতেই উপজেলা চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের চেয়ার থেকে লাফিয়ে ওঠে অফিস ভর্তি মানুষের সামনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগমকে অপমান করে ঘড় থেকে তাড়িয়ে দেয়।
দম্ভো করে বলেন আপনি এমপির কাছে যান। এমপিই আপনার কি করে সেটাই দেখবো এসময় তিনি লজ্জা অপমানে আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন।
পরে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সহায়ক আনিছকে তার অফিসে ডেকে নিয়ে বদলী করার হুমকি প্রদান।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিগত অর্থ বছরের নারী উন্নয়ন ফোরামের জন্য বরাদ্দকৃত ৩ তিন লক্ষ টাকার হিসেব চাওয়ায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগমকে সরকারি অফিস থেকে অপমান করে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম জানান জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদ চৌধুরী বিদুৎ তাদের সাথে সমন্বয় না করে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ অসম বন্টনের মাধ্যমে নিজের ইচ্ছা মত করে আসছে।
বিগত অর্থ বছরের নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন কল্পে এডিপর ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়।পদ অধিকার বলে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওই কমিটির সভাপতি হলে ও তাকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান উক্ত টাকা কি করেছেন তা অস্পষ্ট বলে তিনি জানান।
ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম জানান জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদ চৌধুরী বিদুৎ তাদের সাথে সমন্বয় না করে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ অসম বন্টনের মাধ্যমে নিজের ইচ্ছা মত করে আসছে।
বিগত অর্থ বছরের নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন কল্পে এডিপর ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়।পদ অধিকার বলে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওই কমিটির সভাপতি হলে ও তাকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান উক্ত টাকা কি করেছেন তা অস্পষ্ট বলে তিনি জানান।



কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷