গোবিন্দগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় ৩ জন গুরুত্বর আহত
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পূর্ব শক্রতার জেরে সন্ত্রাসী হামলায় ৩ জন গুরুত্বর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কামারদহ ইউনিয়নের সৈয়দপুর (সতিতলা) গ্রামের মৃত-আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে হাফিজার রহমানের শ্যালক কাজী ফুয়াদের সাথে একই ইউনিয়নের ভাগগোপাল গ্রামের মৃত-আলেপ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৮), মৃত-আনোয়ার হোসেনের ছেলে রাহেনুল ইসলাম (৪২), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আশিক (২৫), সাজা মিয়ার ছেলে শাকিল (২২), ফজলার রহমানের ছেলে বাপ্পী (২৪), রাহেনুল হকের ছেলে হৃদয় শেখ জয় (২৩), সবুজের ছেলে রাসেল (২৩), আনিছুর রহমানের ছেলে রাসেল (২৫) এর সহিত কয়েক দিন আগে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তর্ক-বির্তক, হাতাহাতি হয়। এরি জের ধরে গত ২৩ মে রাত্রি অনুমান ৮ টার দিকে হাফিজারের ছেলে ও শ্যালক ইকবাল প্রতিবেশি শফিক ঈদুল ফিতরের নামাজ উপলক্ষে গ্রামের মসজিদের ঝাড় বাতি কিনে আনতে মোটর সাইকেলযোগে বাড়ীফেরা কালে ভাগগোপাল সরকার বাড়ী সংলগ্ন দহের রাস্তায় উপর উল্লেখিত আসামীগণ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বে-ধড়ক মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে এবং ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল কোপাইয়া, চোটাইয়া, কাটিয়া ভাংচুর করে। আহতদের চিৎকারে পথচারীরা আগাইয়া এসে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় হাফিজার রহমান বাদী হয়ে আব্দুর রহিম সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কামারদহ ইউনিয়নের সৈয়দপুর (সতিতলা) গ্রামের মৃত-আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে হাফিজার রহমানের শ্যালক কাজী ফুয়াদের সাথে একই ইউনিয়নের ভাগগোপাল গ্রামের মৃত-আলেপ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৮), মৃত-আনোয়ার হোসেনের ছেলে রাহেনুল ইসলাম (৪২), আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আশিক (২৫), সাজা মিয়ার ছেলে শাকিল (২২), ফজলার রহমানের ছেলে বাপ্পী (২৪), রাহেনুল হকের ছেলে হৃদয় শেখ জয় (২৩), সবুজের ছেলে রাসেল (২৩), আনিছুর রহমানের ছেলে রাসেল (২৫) এর সহিত কয়েক দিন আগে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তর্ক-বির্তক, হাতাহাতি হয়। এরি জের ধরে গত ২৩ মে রাত্রি অনুমান ৮ টার দিকে হাফিজারের ছেলে ও শ্যালক ইকবাল প্রতিবেশি শফিক ঈদুল ফিতরের নামাজ উপলক্ষে গ্রামের মসজিদের ঝাড় বাতি কিনে আনতে মোটর সাইকেলযোগে বাড়ীফেরা কালে ভাগগোপাল সরকার বাড়ী সংলগ্ন দহের রাস্তায় উপর উল্লেখিত আসামীগণ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বে-ধড়ক মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে এবং ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল কোপাইয়া, চোটাইয়া, কাটিয়া ভাংচুর করে। আহতদের চিৎকারে পথচারীরা আগাইয়া এসে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় হাফিজার রহমান বাদী হয়ে আব্দুর রহিম সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷