প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাননি গোবিন্দগঞ্জের অর্ধ শতাধিক পুরাতন মসজিদ ||
![]() |
| প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পাননি গোবিন্দগঞ্জের অর্ধ শতাধিক পুরাতন মসজিদ || |
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সকল মসজিদের ঈমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য করোনা সংকটের কারণে ঈদ উপহার স্বরূপ পাঁচ হাজার করে টাকা প্রদান করেছেন।
এ ঈদ উপহার গোবিন্দগঞ্জের এক হাজার একটি মসজিদ পেলেও বঞ্চিত হয়েছেন প্রায় অর্ধ শতাধিক পুরাতন মসজিদ।ফলে ১হাজার মসজিদের ঈমাম-মোয়াজ্জিনের মুখে হাসি ফুটলেও কিছু ইমামের মুখে হাসি ফোটেনী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত চেয়ারম্যান বাড়ি জামে মসজিদ,দূর্গাপুর প্রধান পাড়া জামে মসজিদ,দূর্গাপুর হাজি পাড়া জামে মসজিদ,গোবিন্দপুর শেখ পাড়া জামে মসজিদ।ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বড় সাতাইল বাতাইল দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ,গুমানীগন্জ ইউনিয়নের চকপাড়া জামে মসজিদ, কুন্দখালাশপুর উত্তর পাড়া জামে মসজিদসহ প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের ৫/৬ টি করে মসজিদ এ উপহার পাননি।
এ সকল মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দের অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ভালোভাবে খোঁজ খবর না নিয়েই ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানোর ফলে এসকল মসজিদ উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বর্মণ জানান, ইতিমধ্যে বাদ পড়ার বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি এবং এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাকে বাদপড়া মসজিদগুলোর তালিকা করতে নির্দেশ দিয়েছি।বাদপড়া মসজিদের কর্তৃপক্ষ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত তালিকা সম্পূর্ণ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো যাবে।তিনি আরও বলেন কোন মসজিদই বঞ্চিত হবেনা।বাদপড়াগুলো তালিকা প্রেরণ করলেই সেগুলোর অনুদান আসবে।
এ ঈদ উপহার গোবিন্দগঞ্জের এক হাজার একটি মসজিদ পেলেও বঞ্চিত হয়েছেন প্রায় অর্ধ শতাধিক পুরাতন মসজিদ।ফলে ১হাজার মসজিদের ঈমাম-মোয়াজ্জিনের মুখে হাসি ফুটলেও কিছু ইমামের মুখে হাসি ফোটেনী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত চেয়ারম্যান বাড়ি জামে মসজিদ,দূর্গাপুর প্রধান পাড়া জামে মসজিদ,দূর্গাপুর হাজি পাড়া জামে মসজিদ,গোবিন্দপুর শেখ পাড়া জামে মসজিদ।ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বড় সাতাইল বাতাইল দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ,গুমানীগন্জ ইউনিয়নের চকপাড়া জামে মসজিদ, কুন্দখালাশপুর উত্তর পাড়া জামে মসজিদসহ প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের ৫/৬ টি করে মসজিদ এ উপহার পাননি।
এ সকল মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দের অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ভালোভাবে খোঁজ খবর না নিয়েই ধর্ম মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানোর ফলে এসকল মসজিদ উপহার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বর্মণ জানান, ইতিমধ্যে বাদ পড়ার বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি এবং এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাকে বাদপড়া মসজিদগুলোর তালিকা করতে নির্দেশ দিয়েছি।বাদপড়া মসজিদের কর্তৃপক্ষ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত তালিকা সম্পূর্ণ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো যাবে।তিনি আরও বলেন কোন মসজিদই বঞ্চিত হবেনা।বাদপড়াগুলো তালিকা প্রেরণ করলেই সেগুলোর অনুদান আসবে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷