হাঁটু পানিতে ঈদের নামাজ আদায়
![]() |
| হাঁটু পানিতে ঈদের নামাজ আদায় |
ঈদের জামাত হাটু পানিতে! তাও আবার ৫ হাজারের অধিক মানুষ এক সাথে। ভাবতেই কষ্ট হয়। মানুষ কোন পরিস্থিতির শিকার হলে এমন ঘটনার অবতারণা ঘটে। ঘটনাটি ঘটেছে খুলনার কয়রা উপজেলায়।
কয়রা উন্নয়ন কমিটির সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগিরা কয়েক দিন ধরে ২নং কয়রার ধ্বসে যাওয়া প্রায় আড়াই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নতুন করে নির্মাণের চেষ্টা করছে। বাঁধের কাজ শেষ না করে উঠবো না- এমন একটা সংকল্প নিয়ে কাজ চলছে। এরই মধ্যে পড়ে গেছে ঈদ। ভাঙ্গণ স্থলের কাছাকাছি জড়ো হওয়া ও ঈদের নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত। আর কাছাকাছি কোনো মসজিদ/ মাদ্রাসা বা স্কুলের মাঠ শুকনা না থাকায় অগত্যা হাটু পানিতে দাড়িয়েই জামাত আদায় করা হয়েছে। জামাতাতে ইমামতি করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন।
তিনি জানান, ঈদের দিন উপলক্ষে বাঁধের কাজে আসা মানুষের জন্য ৫ হাজার প্যাকেট খিচুড়ি করা হয়েছিলো। তাও ঘাটতি পড়েছে। এবার বুঝে নেন কী পরিমাণ মানুষ বাঁধ নির্মাণে কাজ করছে।
কয়রা উন্নয়ন কমিটির সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগিরা কয়েক দিন ধরে ২নং কয়রার ধ্বসে যাওয়া প্রায় আড়াই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নতুন করে নির্মাণের চেষ্টা করছে। বাঁধের কাজ শেষ না করে উঠবো না- এমন একটা সংকল্প নিয়ে কাজ চলছে। এরই মধ্যে পড়ে গেছে ঈদ। ভাঙ্গণ স্থলের কাছাকাছি জড়ো হওয়া ও ঈদের নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত। আর কাছাকাছি কোনো মসজিদ/ মাদ্রাসা বা স্কুলের মাঠ শুকনা না থাকায় অগত্যা হাটু পানিতে দাড়িয়েই জামাত আদায় করা হয়েছে। জামাতাতে ইমামতি করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন।
তিনি জানান, ঈদের দিন উপলক্ষে বাঁধের কাজে আসা মানুষের জন্য ৫ হাজার প্যাকেট খিচুড়ি করা হয়েছিলো। তাও ঘাটতি পড়েছে। এবার বুঝে নেন কী পরিমাণ মানুষ বাঁধ নির্মাণে কাজ করছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷