https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 এমপি লিটন হত্যার রায়: ফাঁসির রায় শুনে অবশেষে কাঁদলো হত্যাকারীর স্বজনরা - Gaibandha Online Portal

Breaking News

এমপি লিটন হত্যার রায়: ফাঁসির রায় শুনে অবশেষে কাঁদলো হত্যাকারীর স্বজনরা

গত ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে বহুল আলোচিত গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার ঘটনার মামলার আসামীরা আজ ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার আদালতে এসেছিলেন বেশ হাস্যোজ্জ্বল মুখে। কিন্তু রায় ঘোষণার পর তারা বিমর্ষ হয়ে পড়েন। সেই সাথে স্বজনদের মাঝে দেখা দেয় আহাজারি। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তারা।দেরীতে হলেও হত্যাকারীর পরিবার কাঁদলো অবশেষে।
Image may contain: 5 people, people smiling

রায় ঘোষণার দিন সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে লিটন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কাদের খানসহ অন্য আসামিদের প্রিজনভ্যানে করে আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। ভ্যান থেকে নামার সময় প্রায় সব আসামীকেই বেশ হাসিখুশি দেখা যায়। আদালতে হাজির হওয়ার সময় মূল আসামি কাদের খানের মুখে কোন উদ্বেগ ছিল না। বরং মৃদু হাসি মুখে ফুটিয়েই তিনি আদালত চত্বরে প্রবেশ করেন। রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত তারা ছিলেন খোশমেজাজে।
Image may contain: one or more people, selfie and text
তবে আদালতের রায় শুনে কাদের খানসহ প্রায় সব আসামি বিমর্ষ এবং চিন্তিত হয়ে পড়েন। রায়ের পর দ্রুত মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীদের আদালত থেকে গাইবান্ধা কারাগারে নিয়ে যায় আইন শৃংখলা বাহিনী।
Image may contain: one or more people, crowd and outdoor

মামলার রায়ে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) কাদের খানসহ সাত আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন।অন্যদিকে এরআগে এঘটনায় লিটন হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র আইনের মামলায় গত ১১ই এপ্রিল আবদুল কাদের খানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
Image may contain: 8 people, people smiling, people standing and outdoor

হত্যা মামলার রায়ে জড়িত মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, সাবেক এমপি কাদের খান, তার পিএস শামছুজ্জোহা, গাড়িচালক হান্নান, ভাতিজা মেহেদি, শাহীন মিয়া, আনোয়ারুল ইসলাম রানা ও চন্দন কুমার। এরমধ্যে, চন্দন কুমার ভারতে পালিয়ে গেছেন। আর কারাগারে মারা গেছেন সুবল চন্দ। পলাতক চন্দনকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির কার্যকরের আদেশ দিয়েছে আদালত।
Image may contain: 1 person, sunglasses and closeup

গত ২০১৬ সালের ৩১শে ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। ঘটনার তদন্ত শেষে দ্রুত হত্যার মুল্য রহস্য উৎঘাটনে সক্ষম হয় জেলা পুলিশ। এরপর ২০১৭ সালের ৩০শে এপ্রিল আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।গত ৩১শে অক্টোবর আদালতে এ মামলার ৫৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরে ১৮ ও ১৯শে নভেম্বর দুইদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে ২৮শে নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক । আজ রায়ের দিন পলাতক চন্দন রায় সহ ৭ আসামীর মৃত্যুদন্ড আদেশ দেন আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক। আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে এমপি লিটনের পরিবার উচ্চ আদালতে রায় বহাল সহ দ্রুত রায় কার্যকরের জন্য সরকারের সহ সংশ্লিষ্টদের নিকট দাবী জানান।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷