গোবিন্দগঞ্জ স্ত্রী স্বীকৃতির দাবীতে প্রমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন
গোবিন্দগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক প্রমিকের বাড়ীতে অনশন করছেন।
২৩ জুলাই মঙ্গলবার থেকে আজ ২৪ জুলাই বুধবার পর্যন্ত দুইদিন যাবত অনশন করছেন প্রেমিকা।
প্রেমিকা হলেন উপজেলার কামারদহ ইউনিয়ানের রসুলপুর গ্রামের মৌ আক্তার (২২)
এমন পরিস্থিতে প্রেমিকসহ স্বামীর পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মুসা খানের পুত্র নয়ন খানের বাড়িতে অনশন করছেন মৌ আক্তার।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, মুসা খানের ছেলে নয়ন খানের (২৫) সাথে একই গ্রামের মৌ আক্তারের সাথে (২২) এক বছর যাবত পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের জের ধরে ইতি মধ্যে পূর্বের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় মৌ আক্তারের।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, স্বামীর সাথে ডির্ভোস হলে মৌ আক্তার ঢাকা গাজীপুরের একটি গার্মেন্ট শিল্পে কাজ করতো।নয়ন খান ঢাকায় প্রায়ই মৌ আক্তারের বাসায় যাতায়াত করতো।যাতায়াতের এক পর্যায়ে সেখানকার স্থানীয় লোকজন ঐ নয়নের সাথে এই বছরের জানুয়ারীতে মৌ আক্তারের বিয়ে পড়িয়ে দেয়।
বিয়ের পর বাড়িতে গেলে স্বামী নয়নের বাবা মা এ বিয়ে মেনে না নিয়ে মৌ আক্তারকে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেয়।
এদিকে নয়ন খান অন্য একটা মেয়েকে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবর পেয়ে গতকাল ২৩ জুলাই মঙ্গলবার বিকালে মৌ আক্তার স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে পুনরায় বাড়ি গিয়ে অবস্থান নেয়। এ সময় প্রেমিকসহ প্রেমিক পরিবারের লোকজন বাড়ীতে তালা দিয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে যায়।
মেয়েটি জানিয়েছেন তাকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়া পর্যন্ত এখান থেকে তিনি যাবেন না। স্ত্রীর মর্যাদা না দেয়া হলে তিনি আত্মহত্যা করবেন।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ রতন বলেন, আমরা সালিশ বৈঠকে বসেছিলাম। কিন্তু ছেলের পক্ষ হাজির না হওয়ায় সমাধান করতে পারিনি। তবে মেয়েটি স্ত্রীর অধিকার পাক, এটা আমরা কামনা করি।
এ ব্যাপারে মেয়ের পরিবার গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বলেও জানা গেছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷