বন্যার পানিতে গাইবান্ধাবাসীর আরো কিছুদিন ভাসার সম্ভবনা : কর্ম সংকটে জেলা জুড়ে নিমে আসাবে অভাব অনটন
দীর্ঘস্থায়ী হবে গাইবান্ধা জেলার বন্যা। শুধু গাইবান্ধা বা কুড়িগ্রাম জেলা নয় সারাদেশের বন্যাই এবার দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। ব্যতিক্রমী পানি প্রবাহের বন্যার কারণে গাইবান্ধা জেলার সব কয়টি উপজেলায় এবারের বন্যা যেমন দীর্ঘস্থায়ী হবে তেমনি জনদূর্ভোগ বাড়াবে। সর্বত্র দেখা দিবে অভাব অনটন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ গুলোর জীবন বাঁচানো যেন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। অনাহারে থাকতে হবে। যত সামান্য ত্রান খেয়ে বাঁচলেও এরপর লাগবে বন্যার পানি জনিত রোগবালাই। চিন্তা করতে পারেন আর একটি সপ্তাহ যদি এরকম অবস্থা থাকে তাহলে চির দুখী জন্মাঅভাবি গাইবান্ধার মানুষ গুলোর কি অবস্থা হবে। কর্মহীনতায় দরিদ্র পরিবার গুলোতে ডেকে আনবে অভাব নামরে বিষফোঁড়া।
দেশের উজানের দেশগুলোর বন্যার পানির কারণে ভাটির দেশ বাংলাদেশে বন্যা হয়। দেশের দেশের প্রধান প্রধান নদী গুলোর উৎপত্তি উজানের দেশগুলোতে। উজানের দেশ ভারতে তুলনামূলক কম বন্যা হলেও দেশে ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে। ভারতের এই পানির প্রভাব থাকবে আরও বেশ কিছুদিন। এরই মাঝে চীনে হয়ে যাওয়া ভয়াবহ বন্যার পানি প্রবেশ করবে ভাটির দেশ বাংলাদেশে। তখন বন্যা আরও ভয়াবহ রুপ নেবে।
এদিকে, ভাটির বন্যা উজান গোবিন্দগঞ্জে প্রবেশ করেছে। গাইবান্ধা জেলার প্রধান প্রধান নদীর কমলেও আবারো পানি বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভবনা বেশী তবে গোবিন্দগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। শুধুমাত্র করতোয়া নদীর পানি চার সেঃমিঃ কমলেও উপজেলার বন্যা দুর্গত এলাকার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।অভিজ্ঞজনরা মনে করছেন এবারের গোবিন্দগঞ্জের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হবে। সেই সাথে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে।
জেলা জুড়ে এবারে এ দূর্ভোগে রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কে গাইবান্ধা জেলার প্রতি একটু সদ্বয় দৃষ্টি দেওয়া জন্য অনুরোধ করেন জেলার সচেতন মহল।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷