গাইবান্ধায় অনেক বানবাসী পরিবার রয়েছে যারা পায়নি কোন সহায়তা : জুম বাংলাদেশ টিমের কার্যক্রম মানবসেবায় অন্যদের উৎসাহিত করবে
জুম বাংলাদেশ। কিছু কিশোর, যুবক, যুবতি, পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করে। সউদ্যোগী সেবক জুম বাংলাদেশ টিমের প্রতিটি সদস্য। তারা যেমন পরিশ্রমি তেমন মেধাবীয় বটে। মানবতায় উদার প্রতিটি সদস্য। জেলা জুড়ে চলা বন্যায় কাউকে বড় কোন আর্থিক সহায়তা করতে না পারলেও সউদ্যোগী হয়ে এগিয়ে গেয়েছেন বানভাসী পরিবার গুলোর পাশে। বন্যা কবলিতদের নিরাপদ স্থান আনতে সহযোগীতা করেন। এছাড়াও সুকনা খাবার সহ স্বাধ্য মতো ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। তাদের এই কার্যক্রম অন্যদের আগামী দিনে উৎসাহ যোগাবে দেশপ্রেমে আবদ্ধ করবে।
জেলা জুড়ে চলা বন্যায় তাদের চলমান কার্যক্রমে তাদের একটি স্থানে দেখা যায় চারিদিকে পানি তার মাঝখানে একটি উচু স্থানে গাছপালা বসত ভিটায় বসতবাড়ী যারা চলমান বন্যায় পায়নি কোন সহায়তা । এরকম অনেক পরিবার আছে যারা কোন প্রকার সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণে এবারের বন্যায় সবাই ক্ষতিগ্রস্ত বন্যাকবলিত এলাকা গুলো তার প্রমাণ।
গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার মানিককর চর। এ চরের একটি স্থানে মাটি কেটে উচু করে বসবাস করে ২ টি পরিবার এ পরিবারের গুলোর সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫ হতে ১৬ জন। জেলা জুড়ে বন্যা শুরু হওয়ার এখন পর্যন্ত এ পরিবার দুটি কারো কোন সাহায্য সহযোগীতা পায়নি। এভাবেই বর্ণনা করেন বানভাসী মানুষের পাশে থাকা জুম বাংলাদেশ টিমের অন্যতম সদস্য মেহেদী হাসান।
সে আরো জানায়, গতকাল তাদের শুধু আমার বিভিন্ন ওষুধ পত্র দিতে পেরেছিলাম। আজ ২৩ জুলাই এ পরিবার দুটিকে ২ কেজি করে চিড়া, ১ কেজি করে মুড়ি, খেজুর, বিস্কুট, স্যালাইন, মোমবাতি, ম্যাচ দিতে পেরেছি। গত দুই দিনে আমার জুম বাংলাদেশ টিম ফুলছড়ি উপজেলা বিভিন্ন চর অঞ্চলে প্রায় ৫ শতাধিক বানভাসী পরিবারের কাছে গিয়ে আমাদের যতসামান্য ত্রান সহায়তা দিতে পেরেছি।
ফুলছড়ি উপজেলার বানভাসীরা জানান বন্যায় দেখানো ত্রান প্রদান করা হচ্ছে কোথায় লক্ষ মানুষ সেখানে শত বা হাজার মানুষ কে দেওয়া সম্ভব হয়। তাহলে আর মানুষ গুলোর কি অবস্থা। দূর্বিসহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে ফুলছড়ি উপজেলার বানভাসীদের। চরঞ্চল গুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি ওষুধ সংকট।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷