https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 সুন্দরগঞ্জে সবজি চাষে নারী কৃষক মমতাজের সাফল্য - Gaibandha Online Portal

Breaking News

সুন্দরগঞ্জে সবজি চাষে নারী কৃষক মমতাজের সাফল্য

আজ থেকে ৮ বছর আগে কর্মের সন্ধানে বিদেশে যায় নজরুল ইসলাম। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা দিয়ে স্ত্রী মমতাজ বেগম প্রথমে গরুর খামার দেয় বাড়িতে। পর্যায়ক্রমে ৫ হতে ১০টি গরু লালন-পালন করত খামারে। এতে ভালই আয় হত তাদের। ৫ বছর বিদেশ থাকার পর দেশে ফেরে নজরুল। এর আগেই মমতাজ বেগম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসকেএস ফাইন্ডেশনের এমএম ডাব্লিউ ডাব্লিউ প্রকল্পের সুর্বণদহ বহুমুখী কৃষি উন্নয়ন দলের সদস্য হয়। নজরুল ইসলাম গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের সুবর্ণদহ গ্রামের বাসিন্দা। খুব বেশি লেখাপড়া এবং জমি-জমা নেই তাদের। গরুর খামারের পাশাপাশি প্রকল্পের সার্বিক সহায়তা নিয়ে এবং উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পরামশক্রমে শুরু করে সবজি চাষ। বসতবাড়ির আশপাশ প্রায় ৬০ শতক জমিতে প্লানিং করে একাধিক সবজির চাষাবাদ করতে থাকে। কম মুনাফায় অল্প পরিশ্রমে মাত্র এক হতে দেড় বছরের ব্যবধানে সফল নারী সবজি চাষির সাফল্য অর্জন করে মমতাজ বেগম। সরেজমিন মমতাজ বেগমের সবজি প্রদর্শণী প্লটে গিয়ে দেখা গেছে এক জমিতে তিনটি ফসলের অধিক নানাবিধ সবজির বাহার। বর্তমানে তার ক্ষেতে রয়েছে ঢেঁড়স, চাল কুমড়া, পুঁইশাক, কলমী শাক, পটল, ঝিঙা, মরিচ, বটবটি, ডাটা , নারিকেল গাছ, আদা, হলুদ ও শসা। মমতাজ বেগম জানান, প্রতিদিন তার ক্ষেত থেকে গড় ১ হাজার টাকার সবজি বিক্রি হচ্ছে। সারা বছরের মৌসুমী সবজি চাষাবাদ করে মমতাজ। পাইকারি ও খুচরা ক্রেতাগণ তারা বাড়ি থেকে সবজি ক্রয় করে নিয়ে যায়। অথবা তার স্বামী বাজারে নিয়ে সবজি বিক্রি করে। প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের মার্কেট সেড নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে তারা উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে। কথা হয় প্রকল্পের এফএফ হোমনে আরা বেগমের সাথে। তিনি বলেন, মমতাজ বেগমসহ আরও অনেক নারী কৃষক এখন সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। রামজীবন ইউনিয়ন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন জানান, পুরুষদের চাইতে নারীরা এখন সবজি চাষে এগিয়ে রয়েছে। কৃষি অধিদপ্তর থেকে পরামর্শ নিয়ে তারা বাড়ির উঠানে নানাবিধ সবজি চাষ করছে। উপজেলা প্রকল্প সমন্বয়কারি কৃষিবিদ জামাল উদ্দিন জানান, গ্রামে-গ্রামে নারীদের মাধ্যমে কৃষিতে ব্যাপক সাফল্য দেখা দিয়েছে। উৎপাদিত সবজি পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে অনেকে। তবে সবজি সংরক্ষণাগার একান্ত প্রয়োজন। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিশেষ করে চরাঞ্চল সবজি চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সেটিকে কাজে লাগিয়ে অনেকে ব্যাপক সবজি চাষাবাদ করছে।

কপিঃ সাংবাদিক ছামিউল

Image may contain: 1 person, standing, outdoor, nature and text

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷