https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 ছুটি না কাটিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে বেশ সাড়া ফেলেছেন গোবিন্দগঞ্জের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকগন - Gaibandha Online Portal

Breaking News

ছুটি না কাটিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে বেশ সাড়া ফেলেছেন গোবিন্দগঞ্জের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকগন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মজিদুল ইসলাম। উত্তরাঞ্চলের মেধাবী ও দক্ষ একজন চিকিৎসকের নাম।তিনি তার মেধা দিয়ে চিকিৎসা সেবা দানের মাধ্যমে গরীব, দুঃখীসহ সহ সব ধরনের মানুষের ভালোবাসা ও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। ঢাকা-রংপুর মহাসড়কসহ বেশ কয়েকটি উপ মহা সড়ক,নদী বেষ্টিত গাইবান্ধা জেলার বৃহৎ উপজেলা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা।এ উপজেলায় ৭ লক্ষ মানুষের বসবাস।এমনিতে নানা রোগ ব্যাধি ছাড়াও সড়ক দুর্ঘটনা সহ নানা দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। তাই এ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে চিকিৎসক সংকট,বেড সংকট।তার পরেও ডা.মজিদুল ইসলাম,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নানা প্রতিকূলতা অপেক্ষা করে যে প্রতিনিয়ত তার দক্ষ টিমের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।তিনি দক্ষ হওয়ায় হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক তার সার্নিগ্ধে থেকে চিকিৎসা সেবা দিতে স্বাচ্ছন্ধ্য বোধ করেন। আজ মহান মে দিবস সরকারী ছুটির দিন।তার পরেও ছুটি না কাটিয়ে হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক,নার্স ও কর্মচারীদের নিয়ে অন্যান্য দিনের মত চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।তিনি মাঝে মধ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসকদের উৎসাহিত করতে তার চিকিৎসা সেবার কিছু অংশ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেন। ডা. মজিদুল ইসলামের আজকের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হল---
অাজ ১মে,সরকারি ছুটি। অামরা রোগী দেখার পাশাপাশি চারটি অপারেশন সম্পন্ন করলাম।অন্য সরকারী কর্মচারীদের ন্যায় অামাদেরও ছুটি ভোগের অধিকার অাছে।কিছু সংখ্যক ডাক্তারের জন্যে অাজ পুরো ডাক্তার সমাজকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।
জনগণকে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দার করানো হচ্ছে।অথচ এক সময় ছিলো ডাক্তার ও জনগণ বন্ধুর মতো। অামাদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা অাছে,তা কেউ তুলে ধরেনা।
দুই একটি উদাহরণ উল্লেখ করা যেতে পারে ওয়ার্ড বয়,অায়ার ৪টি করে পদ অাছে সেই পুরোনো অামল থেকে। ক্লিনারদের যেপদ সংখ্যা তা দিয়ে কোনো দিন একটি হাসপাতাল পরিস্কার রাখা যাবেনা।অথচ উপজেলায় এখন ওয়ার্ড ৩ টি।কতকাল থেকে Sacmo, Technologist, Health assistant দের নিয়োগ নেই তা অামার মনে পড়ছেনা। সবাই একটি জায়গায় সেবা খোঁজেন অন্য জায়গায় কিভাবে সেবা দেয়া হচ্ছে তা অাপনাদের চোখে পড়েনা। সমান দৃষ্টিতে দেখুন, দোষত্রুটি থাকলে ভদ্রভাবে সমালোচনা করুন, ভালো কিছু তে প্রশংসা করুন,সেবা কেন্দ্রে শিষ্টাচার অাচরণ করুন, তা হলেই রোগী বান্ধব হাসপাতাল গড়ে তোলা সম্ভব। ডা.মজিদুল ইসলামের এই গঠনমূলক স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।অনেকে জানিয়েছেন ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।

Image may contain: 3 people, people standing

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷