ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিজের করা অভিযোগে ফেঁসে গেলেন বাদী
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিজের করা অভিযোগে ফেঁসে গেলেন বাদী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যে, ২৪ এপ্রিল বুধবার মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে রংপুর পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নের চতরা ঘোনাপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম আলীর পুত্র তারিকুল ইসলাম(৩৫)প্রেমিকা হাসান পাড়া গ্রামের মিজানের স্ত্রী শিউলি বেগম এর সাথে দেখা করতে আসে।

প্রেমিকা তার নিজের বাড়িতে দেখা না করে শরিফুলের সহযোগিতায় নিজ পাড়া গ্রামের জৈনিক ব্যক্তির বাড়িতেঅসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থের জন্য সাক্ষাৎ করতে আসে। এসময় তার কাছে থাকা টাকাসহ মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় শিউলী বেগম ও তার সহযোগীরা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক নওয়াবুর রহমান ও এ এস আই ইকরামুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান এবং ঘটনার সত্যতা পান। এসময় আলাপ কালে কথিত প্রেমিকা আসামী বলেন,দোষ কি একা হামার(আমার)? হামরা(আমি) ডাকলাম আর ওমরা( তিনি) আসলো।
সে অনুযায়ী পুলিশ পরিদর্শক নওয়াবুর রহমান বাদী এবং অভিযুক্ত শিউলিকে আটক করে। পরে আটকৃতদের ২৫ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে সাদুল্লাপুর থানায় সোপর্দ করা হয়।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলায় শুক্রবার অভিযুক্ত শিউলি এবং অভিযোগকারী কথিত প্রেমিক তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের পূর্বক উভয়কে আসামি করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। বিষয়টি সাদুল্যাপুর থানার ওসি আরশেদুল হক নিশ্চিত করেন।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷