পড়ার ঘরটা যেমন চাই
একটাই জায়গা পুরো ঘরে ঘুরে ঘুরে না পড়ে পড়ার ঘর একবারেই ঠিক করে নাও। ওটা আর বদলানো চলবে না। এতে করে ওই ঘর বা টেবিলের আশপাশে এলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তোমার মগজটা ‘পড়ার মুডে’ চলে আসবে। জোর করে মনযোগ আনার সমস্যা থেকেও বাঁচবে।
নতুন করে সাজাও পড়ার ঘরটাকে যতটা সম্ভব তোমার পরীক্ষার হলের মতো করে সাজাও। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। আমরা যে পরিবেশে নতুন কিছু প্রথমবারের মতো শিখি সে পরিবেশটা ফিরে পেলে ওই বিষয়টা মনে করা সহজ হয়ে যায়। তাই পড়ার ঘরে যদি ক্লাসরুমের মতোই বড় জানালা, দেয়ালের রং, একটা হোয়াইট বোর্ড থেকে থাকে তবে পরীক্ষার হলে ঢুকে আলাদা করে টেনশনে পড়তে হবে না।
আরামদায়ক, তবে খুব বেশি নয় পড়ার টেবিল চেয়ার থেকে শুরু করে পড়ার সময় পরনের পোশাকটাও আরামদায়ক হওয়া চাই। তবে বেশি আরামের নয়। খুব আরামের টি-শার্ট আর পাজামা পরে পড়তে বসলে দেখা যাবে মগজটা বারবার আরামের দিকেই চলে যাচ্ছে।
যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক আলো সরাসরি আলোর দিকে তাকালে মনযোগ ছুটে যায়। অন্যদিকে আমাদের চোখ জোড়াও প্রাকৃতিক আলো পছন্দ করে বেশ।
পড়ার ঘরের নিয়ম পড়ার ঘরের জন্য নিজে থেকে কিছু নিয়ম পাস করে নাও। যেমন, রুমে যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ সেলফোন বন্ধ থাকবে বা অন্য ঘরে সাইলেন্ট মুডে থাকবে। তবে বন্ধ থাকাটাই ভালো। ফোন বন্ধ থাকলে তোমার অবচেতন মন আর নোটিফিকেশনের জন্য আকুলি-বিকুলি করবে না। এক্ষেত্রে মগজটাকে কোনোভাবে বাগে আনাটাই আসল কথা।
বের হতে হবে পড়ার ঘরটা বেশ দারুণ হলো। পড়তেও মজা পাচ্ছো। এবার পড়া শেষ তো বের হয়ে যাও। পড়ার ঘরে বসে অন্য কোনো কাজ না করাই ভালো। শখের কাজের জন্য বারান্দা, চিলেকোঠা বা ছাদ বেছে নাও। এতে করে যখনই পড়ার ঘরে পা রাখবে তোমার ব্রেইনটা নিজেকে খুব পড়ুয়া আর বুদ্ধিমান মনে করতে থাকবে। এমনটা ভাবারও কিন্তু একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ে জিপিএ’তে।
পড়ার ঘরটা যেমন চাই
Reviewed by Online Portal
on
ডিসেম্বর ০৩, ২০১৮
Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷