চাঁদনী আর আলো জ্বালাবে না ঘরে।।
বাবা চাকরি করতেন আর্মিতে।ঘর জুড়ে এক মায়াবী মেয়ে।নাম চাঁদনী। সত্যি সে তার ঘর কে আলোকিত করে রাখে।বাবার অবসর হলে ও মেয়েকে ডাক্তার বানাবে বলে আবার একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরী নেয়।মেয়েও তার মা বাবার স্বপ্ন পূরণে মেধার সাক্ষর রেখেছিলেন।খুলনার সরকারি করোনেশন স্কুলের #মেধাবী ছাত্রী হিসাবে ছিল সকলের প্রিয়।
চারিদিকে যখন চাঁদনীর আলোয় আলোকিত তখন অন্ধকারে অমানিশা নেমে আনেন এই বখাটে।
প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়া ও আসার পথে মায়ের সামনে মেয়েটি কে উত্ত্যক্ত করতো।
নানা ভাবে নাজেহাল করতো।
অনেক জায়গা নালিশ করেও কোন প্রতিকার পান নি চাঁদনীর পিতা মাতা
গত রাতে বখাটে ও তার দল বল নিয়ে যখন রাতের বেলায় মেয়েটির বাসায় গিয়ে তার বাবাকে মাটিতে ফেলে পিটাতে থাকে তখন চাঁদনী সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে জীবন হুতি দেয়-------!
চাঁদের আলো মুহুর্তেই নিভে গেল চারিদিক থেকে!
দিনের আলো যখন সূর্য উদয় হয়েছে তখন চারিদিক থেকে রাজনীতিবিদ, পুলিশ প্রশাসন, আমলা,ডিসি এসপি সাংবাদিক সবাই চাঁদনীর বাড়ী গিয়ে সান্তনা আর আশ্বাস----!
এবার এই করবো, তাই করবো, হ্যান ত্যান ইত্যাদি ইত্যাদি।
দুদিন পরে আস্তে আস্তে সব আলো নিভে যাবে।
তার মাতা বড় একা হয়ে যাবে!
বুকে বালিশ চাপা দিয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদবে!
চোখের জ্বল ও শুকিয়ে যাবে।
সবাই ভুলে যাবে চাঁদনীর অকাল মৃত্যুর কথা।
যেমন ভুলে গেছি তনু কে, নার্গিস কে,কত শত জন কে!
আবার সেই মানববন্ধব, মাইকে গলা ফাটানো আওয়াজ,চিৎকার, চেচামেচি করে বক্তৃতা আরও কত কি------?
চাঁদনীদের নিরাপত্তা কি হবে------?
মদদক সেবী এইই সব বখাটেদের কি হবে?


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷