পলাশবাড়ীতে ইউএনও'র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ॥ মহাসড়ক অবরোধ নেপথ্যে রাতের অন্ধকারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
পলাশবাড়ীতে ইউএনও'র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ॥ মহাসড়ক অবরোধ নেপথ্যে রাতের অন্ধকারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ । গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাতের অন্ধকারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে ইউএন’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পিছনে অরক্ষিত একটি সরকারি জায়গায় দীর্ঘদিন থেকে বাস্তুহারা প্রায় ২০টিরও অধিক অসহায় দরিদ্র পরিবার অবৈধ ভাবে বসবাস করে আসছিল। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও উপজেলা পরিষদের অরক্ষিত জায়গা উদ্ধারের লক্ষ্যে উপজেলা মাসিক ও সমন্বয় কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন-এর নির্দেশে উপজেলা পরিষদের অফিস সহকারী আনোয়ার হোসেন খোকন, ইউএনও ড্রাইভার আশরাফুল ইসলামসহ কয়েকজন কর্মচারী দা, সাবলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবৈধ ভাবে বসবাস করা বাড়ী-ঘর ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।
উচ্ছেদের সময় তারা ঘুমন্ত শিশু, অন্তঃসত্ত্বা মা এমনকি পবিত্র কোরআন শরীফ ছুরে ফেলে দেয় বলে অবৈধ বসবাসকারীরা জানান।
এসময় তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ উচ্ছেদকারীদের হাত-পা ধরে কয়েক দিন সময় প্রার্থনা করেন। এতে বাস্তুহারা ভূমিহীনরা সময় না পেয়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রবেশ করে। এবং উচ্ছেদকারীদের ধাওয়া করে এসময় উচ্ছেদ কাজে নিয়োজিতরা পিছু হটে। সেখানে পুলিশি বাঁধার মুখে পড়লে বিক্ষুদ্ধ ভূমিহীনরা ৩০ মিনিটেরও বেশী সময় রংপুর-বগুড়া মহাসড়কে অবরোধ করে রাখে।
পরে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল আলমের বিক্ষুদ্ধ ভূমিহীনদের শান্তনা মূলক বক্তব্য দিলে অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেয়। এ ঘটনার পর থেকে উপজেলা পরিষদ, ইউএনও’র বাসভবনসহ সদরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। খবর পেয়ে রাতেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এঘটনার পর হতে আজ শুক্রবার দিনব্যাপী উপজেলার পরিষদে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে রাখায় অপরদিকে অবৈধ বসত বাড়ী নিজ নিজ উদ্যোগে তুলে নিয়ে যায় বসবাসকারী ভূমিহীনরা। তবে দিনব্যাপী জামালপুর বাসীর মাঝে পুলিশী আতংঙ্ক বিরাজ করতে দেখা যায়।




কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷