দীর্ঘ ৪ মাস পর ধর্ষক শশুর সিরাজুল ইসলামকে হিলি থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব
সুমন মিয়া তিন সন্তানের জনক, জীবিকা নির্বাহনের তাগিতে তিন সন্তান ও স্ত্রীকে গ্রামের বাড়িতে বাবা সিরাজুল ইসলামের হেফাজতে রেখে ঢাকায় যান। সেখানে আর কিছু না করতে পারলেও অন্তত রিকশা চালিয়ে স্ত্রী সন্তানের ও পিতার ভরণপোষণ করতে পারবেন।
এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল, কিন্তু রক্ষকই যখন ভক্ষকে রূপান্তরিত হয়, তখন হাই হুতাশ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা।জানা যায়
সিরাজুল ইসলামের কুনজর পড়ে ছেলের বউয়ের উপর এবং শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়।
গত ২৪ মার্চ শ্বশুড়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের ধনখুনিয়া গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী সুমী বেগম।
এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে সুমি বেগম বাহিরে বের হলে এই সুযোগে শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ে। সুমি শুতে গেলে শশুর তাকে জাপ্টে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে, সুমি চিৎকার করলে শশুর পালিয়ে যায়। সুমি রাতে ফোন করে শশুরের অপকর্মের কথা স্বামী সুমন কে জানায়। সুমন বাড়িতে এসে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের জানালে মামলা না করে মীমাংসা করে দেওয়ার কথা বললেও তা না করে নীরবতা পালন করলে, পুত্রবধূ সুমি বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রুজু করেন।
সাম্প্রতিক সময়ে রংপুর ও গাইবান্ধায় কিছু স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে উঠে আসে নিকৃষ্ট মন মানসিকতার জঘন্যতর উদাহরণ।
র্যাব ১৩ এর সিপিসি ৩ গাইবান্ধার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি সিরাজুল ইসলামকে দিনাজপুরের হাকিমপুর থানা এলাকা থেকে শুক্রবার (০৭ আগষ্ট) গ্রেফতার করে।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷