https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 গাইবান্ধায় এক একর সরকারী খাস জমি অবসরপ্রাপ্ত ভূমি কর্মচারীর অবৈধ দখলে - Gaibandha Online Portal

Breaking News

গাইবান্ধায় এক একর সরকারী খাস জমি অবসরপ্রাপ্ত ভূমি কর্মচারীর অবৈধ দখলে

Image may contain: one or more people, sky, outdoor and natureগাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের গড়দীঘিতে এজ একর সরকারী খাস জমি অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারী ভূমি কর্মচারীর অবৈধ দখলে থাকার অভিযোগ উঠেছে।এই জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মানের দারী জানিয়েছে এলাকাবাসী।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,ইউনিয়নের এক ব্যক্তি তার বিশাল সম্পত্তি ওয়াকফ করে ওয়াকফ এস্ট্রেট প্রতিষ্ঠা করেন।সেই ওয়াকফ করা সম্পত্তিতেই বিশাল দীঘি।এই দীঘিটিউ গড়দীঘি নামে পরিচিত।এই ওয়াকফ এস্টেটের রামচন্দ্রপুর মৌজার গড়দীঘি ও গড়দীঘি বাজার সংলগ্ন ১শ শতাংশ একটি জমি, যার সাবেক দাগ নং ৩৩০৭,হাল দাগ নং ৪৭৯৮, এই জমিটি সরকারী প্রয়োজনে বিআরএস রেকর্ডে সরকারী খাস জমি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।কিন্তু সরকারী এই জমিটির উপর নজর পড়ে এই এলাকর মৃত নাসিম আহমেদের পুত্র সাবেক ভূমি কর্মচারী রেজাউল করিমের। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই তফসীলী জমিটি সুকৌশলে নিজ চাষাবাদে অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রেজাউল করিমের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন সাবেক দাগ ৩৩০৭, জমির পরিমাণ ১একর,এই জমিটি আমি আদি (বর্গা চাষী) করি।আমি আদির ভাগ প্রতি বছর ওয়াকফ দেখভালের দায়ীত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিকট পৌচ্ছে দেই।জমি ওয়াকফ এস্টেট না সরকারের নামে রেকর্ড হলো সেটা আমার দেখার বিষয় নয়।
এলাকার একজন জনপ্রতিনিধি বলেন সাবেক দাগ ৩৩০১/৩৩০২/৩৩০৩,হাল দাগ নং ৪৮১৪/৪৮১৫/৪৮১৬ এই ৩ দাগের মধ্য হতে এই অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে ওয়াকফ এস্টেটের ২০ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়েছে,সেটা কিভাবে সম্ভব!
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রেজাউল করিম বলেন আমার নামে ওয়াকফ এর কোন জমি রেকর্ড হয়নি,যেটা রেকৃর্ড হয়েছে সেজমি আমাদের কবলাকৃত জমি।

অপরদিকে সরকারী এই ১ একর খাস জমিকে কেন্দ্র করে এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী এই জমি ২টি উদ্ধার করে ১ একরের জমিটি খেলার মাঠ এবং ২০ শতাংশের জমি গোরস্থান হিসেবে ব্যবহার করার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এই এলাকার ফরিদ মিয়া ও আমির হামজা নামের ২ যুবক বলেন ঔতিহাসিক এই গড়দীঘি বাজারে ১ টি দাখিল মাদ্রাসা,১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,১টি হাফেজিয়া মাদ্রাসা,এতিম খানা ও ১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ছেলে মেয়েদের ক্রীড়া চর্চার জন্য তেমন কোন খেলার মাঠ নেই।সরকারী এই জমি উদ্ধার করে ১টি সুন্দর খেলার মাঠ বানানো যায়,এতে করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ব্যক্তি বলেন ২০ শতাংশের এই জমি উদ্ধার করে কবরস্থান তৈরী করা গেলে এই এলাকার মানুষের মরদেহ দাফনের ঠিকানা হতো।

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷