গোবিন্দগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় মহিলা সহ ৫ জন গুরুত্বর আহত
গাইবান্ধার গোবিন্দঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় মহিলা সহ ৫ জন গুরুত্বর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন স্থানীয় হাসপাতালে।
জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের আরজি পিয়ারাপুর (ফেচকা) গ্রামে মোসলেম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মতিন (৪৫) গত রমজান মাসের মাঝা মাঝি সময়ে শহরগছির চৌ মাথায় পারইল গ্রামের গেল্লা হাজীর দোকান ভাড়া নেওয়ার জন্য ৩০ হাজার টাকা জামানত বাবদ অগ্রিম প্রদান করেন। আব্দুল মতিনের পারিবারিক কারণে পরবর্তী সময়ে দোকান ঘরটি আর ভাড়া নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় টাকা ফেরৎ নেওয়ার জন্য গেল্লা হাজীর নিকট বলাবলি করে। এতে একই গ্রামের চিন্তু রহমানের ছেলে আব্দুল হালিমের সাথে আব্দুল মতিনের পূর্ব জামাতা আপেলের সহিত হাত মিলাইয়া উক্ত টাকা গেল্লা হাজীর নিকট থেকে তুলে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করে এবং বিভিন্ন সময়ে তাদের ওই টাকা হাজীর নিকট থেকে না নিতে হুমকি দেয়। গত ২৪ জুলাই সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে মতিন ও তার স্ত্রী গেল্লা হাজীর বাড়ীতে যেয়ে জামানতের টাকা ফেরৎ চাইলে হাজী জানায় হালিম ও আপেল ছাড়া সে টাকা দিতে পারবে না। তাদের কথা অমান্য করে টাকা দিলে হাজীর ছেলে রেজাউলকে সুযোগ মতে তারা মারপিট খুন, জখমের হুমকি দেয়। এরপরও মতিন তার টাকা ফেরৎ পেতে হাজীকে চাপ প্রয়োগ করে বাড়ীতে ফেরার পথে ওই দিন সকাল সোয়া ৭ টার দিকে আব্দুল আজিজের বাড়ীর নিকট পৌঁছামাত্র আব্দুল হালিম (৪০) ও তার আপন সহদর ভাই ফারুক (৪২), আব্দুল হাকিম (৩৮), ছাইদুল (৩২), একরামুল হক (২৭), এমরান (২৮), তাহাজুল ইসলাম (৪৪) এবং আলম মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বেগম (৩৫), ফারুকের ছেলে আল আমিন (২০) গণ পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র সহ মতিন ও তার স্ত্রী মেহের বানুর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত ও শ্লীলতাহানি ঘটায়। সন্ত্রাসীরা এতেও ক্ষ্যান্ত না হওয়ায় গত ২৫ জুলাই সকাল ৯ টার দিকে মতিনের বৃদ্ধ পিতা মোসলেম উদ্দিন, মেয়ে মারিয়া, মল্লিকা ও রিমা গণকে তাজুর মনোহারি দোকানের সামনে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাদেরও গুরুত্বও আহত করে। তারা সকলে এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। এ বিষয়ে আব্দুল মতিন বাদী হয়ে আব্দুল হালিম সহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ওই দিনেই থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন বলে থানা সুত্রে জানা গেছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷