ক্যামেরা কিংবা লোক লজ্জার ভয়ে রিলিফ চায় না এমন নিম্ন মধ্যবিত্ত ২০ পরিবারের মাঝে জেলা পুলিশের ত্রান সহায়তা প্রদান
যতমদুত করোনা ভাইরাসের সংক্রোমন মোকাবেলায় কঠিন থেকে কঠিনতম সময় পার
করছে বাংলাদেশ। দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে গনপরিবহন লকডাউন ঘোষনা করা
হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগ এড়াতে কাজ করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। তবু যেন হুহু
করে বেড়েই চলছে করোনা সংক্রোমন। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না এই যমদুত
কে।দেশের ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি জেলার মধ্যে গাইবান্ধাকে অধিক ঝুকিপুর্ন জেলা হিসেবে ঘোষনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এমতবস্থায় কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো ও নানা কষ্টে দিন যাপন করছে।
নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো পাশে দাড়িয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সরকারসহ দেশের ধর্নাঢ্য ব্যাক্তি ও সংস্থা গুলো।
এমতবস্থায় কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো ও নানা কষ্টে দিন যাপন করছে।
নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো পাশে দাড়িয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সরকারসহ দেশের ধর্নাঢ্য ব্যাক্তি ও সংস্থা গুলো।
কিন্তু দুঃখ জনক হলে ও সত্য নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর অবস্থা খুবই
শোচনীয়।লোক লজ্জার ভয়ে ক্যামেরার সামনে হাত পাতিয়ে ত্রান নেয়া তাদের জন্য
বড়ই লজ্জার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।
সার্বিকদিক পর্যালোচনা করে রাতের অন্ধকারে নিম্ন মধ্যবিত্ত এসব পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ।
জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি-সার্কেল আসাদুজ্জামানের মিয়া এসব পরিবারকে রাতের অন্ধকারে ত্রান সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।
এরইধারাবাহিকতায় উপজেলার উদয়সাগর ও জামালপুর গ্রামের ৪৭ টি পরিবারের অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
এরমধ্যে সোমবার দিবাগত রাতে তিনি ২০ টি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা পৌছে দেন।জেলা পুলিশের ব্যাতিক্রমধর্মী এমন আয়োজনে পরিবার গুলোর মাঝে অনেকটা আশার আলো ফিরিয়ে এসেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার পুলিশ হবে জনতার এই লক্ষকে সামনে রেখে কাজ করছে জেলা পুলিশ।পুলিশের সহযোগীতার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
সার্বিকদিক পর্যালোচনা করে রাতের অন্ধকারে নিম্ন মধ্যবিত্ত এসব পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ।
জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি-সার্কেল আসাদুজ্জামানের মিয়া এসব পরিবারকে রাতের অন্ধকারে ত্রান সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন।
এরইধারাবাহিকতায় উপজেলার উদয়সাগর ও জামালপুর গ্রামের ৪৭ টি পরিবারের অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
এরমধ্যে সোমবার দিবাগত রাতে তিনি ২০ টি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা পৌছে দেন।জেলা পুলিশের ব্যাতিক্রমধর্মী এমন আয়োজনে পরিবার গুলোর মাঝে অনেকটা আশার আলো ফিরিয়ে এসেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান মুজিব বর্ষের অঙ্গিকার পুলিশ হবে জনতার এই লক্ষকে সামনে রেখে কাজ করছে জেলা পুলিশ।পুলিশের সহযোগীতার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷