গোবিন্দগঞ্জে করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এর পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৯৭ মে.টন চাল ও ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরাদ্ধ
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ী করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এর পরিস্থিতি মোকাবেলায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া বিভিন্ন পেশাজীবি ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য ৯৭ মে.টন চাল ও ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সরকারী ভাবে বরাদ্ধ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প অফিস সুত্রে জানাগেছে, সরকারী ভাবে এসব বরাদ্ধের চাল ও টাকা সমন্বয় করে উপজেলা প্রশাসন নিজেই চাল প্যাকেট করে ১৭ টি ইউনিয়নে অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবি, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির সাঁওতাল পল্লী ও বেদে পল্লীতে সুষ্ঠ ভাবে বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বর্মণ বলেন, এ উপজেলায় সরকারী বরাদ্ধের ৯৭ মে.টন চালের মধ্যে গত ২৫ মার্চ এর স্বারক-১৫৬ মোতাবেক ২০ মে.টন, ২৯ মার্চ এর স্বারক-১৭৮ এ ২০ মে.টন ৪ ও ৫ এপ্রিলের স্বারক-১৮৯ ও ২০০ এ ২০ মে.টন করে ৪০ মে.টন চাল প্যাকেট করে এর সাথে আলু, লবন, সাবান তেল সহ ৮০ মে.টন চালের প্যাকেট সরবরাহ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে অব্যাহত আছে। বাকী ১৭ মে.টন চাল প্রক্রিয়াধীন আছে।
গত ১২ এপ্রিল (রবিবার) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান উপজেলা পরিষদ হলরুমে হতদরিদ্র মানুষের এসব সরকারী খাদ্যসহায়তা প্যাকেট করণের চলমান কাজ পরিদর্শণে গেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা প্রশাসন কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের ঘরে ঘরে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প অফিস সুত্রে জানাগেছে, সরকারী ভাবে এসব বরাদ্ধের চাল ও টাকা সমন্বয় করে উপজেলা প্রশাসন নিজেই চাল প্যাকেট করে ১৭ টি ইউনিয়নে অগ্রাধিকার তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমজীবি, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠির সাঁওতাল পল্লী ও বেদে পল্লীতে সুষ্ঠ ভাবে বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বর্মণ বলেন, এ উপজেলায় সরকারী বরাদ্ধের ৯৭ মে.টন চালের মধ্যে গত ২৫ মার্চ এর স্বারক-১৫৬ মোতাবেক ২০ মে.টন, ২৯ মার্চ এর স্বারক-১৭৮ এ ২০ মে.টন ৪ ও ৫ এপ্রিলের স্বারক-১৮৯ ও ২০০ এ ২০ মে.টন করে ৪০ মে.টন চাল প্যাকেট করে এর সাথে আলু, লবন, সাবান তেল সহ ৮০ মে.টন চালের প্যাকেট সরবরাহ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে অব্যাহত আছে। বাকী ১৭ মে.টন চাল প্রক্রিয়াধীন আছে।
গত ১২ এপ্রিল (রবিবার) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান উপজেলা পরিষদ হলরুমে হতদরিদ্র মানুষের এসব সরকারী খাদ্যসহায়তা প্যাকেট করণের চলমান কাজ পরিদর্শণে গেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা প্রশাসন কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের ঘরে ঘরে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷