গোবিন্দগঞ্জে ২১ বস্তা চাল উদ্ধার
গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলপুকুরিয়া
বাজার থেকে ফেয়ার প্রাইজের ৩০ কেজি ওজনের ২১ বস্তা চাল উদ্ধার করে থানায়
নিয়ে এসে জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আজ ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ফুলপুকুরিয়া বাজার থেকে রজাগপুর গ্রামের সামাদ প্রফেসরের গরু’র খামারের পশ্চিম পাশে ১৫ বস্তা ফেয়ারপ্রাইজের চাল পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ওই ইউনিয়নের ইউ’পি সদস্য রিতুকে বলে। রিতু বিষয়টি মুঠোফোনে থানার অফিসার ইনচার্জকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওইসব পরিত্যক্ত ফেয়ার প্রাইজের চাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং বিকেলে ফুলপুকুরিয়া কেজি স্কুলের পশ্চিম পাশে ৬ বস্তা চাল দেখতে পেয়ে আবারো থানায় ফোন দিলে পুলিশ ওই ৬ বস্তা উদ্ধারকৃত চাল সহ ২১ বস্তা চাল জব্দ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, আজ ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ফুলপুকুরিয়া বাজার থেকে রজাগপুর গ্রামের সামাদ প্রফেসরের গরু’র খামারের পশ্চিম পাশে ১৫ বস্তা ফেয়ারপ্রাইজের চাল পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ওই ইউনিয়নের ইউ’পি সদস্য রিতুকে বলে। রিতু বিষয়টি মুঠোফোনে থানার অফিসার ইনচার্জকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওইসব পরিত্যক্ত ফেয়ার প্রাইজের চাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং বিকেলে ফুলপুকুরিয়া কেজি স্কুলের পশ্চিম পাশে ৬ বস্তা চাল দেখতে পেয়ে আবারো থানায় ফোন দিলে পুলিশ ওই ৬ বস্তা উদ্ধারকৃত চাল সহ ২১ বস্তা চাল জব্দ করেছে।
এ
বিষয়ে গুমানিগঞ্জ ইউনিয়নের ফেয়ারপ্রাইজের ডিলার মানিক মিয়ার কাছে জানতে
চাইলে তিনি বলেন, গুমানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১,২,৩,৪ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ৬ শ’ ৬ জন
হতদরিদ্র উপকারভোগি সদস্যদের মাঝে শুরু থেকেই প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে
মাথাপিছু ৩০ কেজি চাল সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত উপজেলা
খাদ্যনিয়ন্ত্রক অফিস কার্যালয় থেকে করোনা ভাইরাসের নির্দেশনা মেনে
উপকারভোগিদের মাঝে বিক্রি করা হচ্ছে। থানা পুলিশের জব্দকৃত চাল তার নয় বলে
তিনি জানান। উপকারভোগি সদস্য চাল নিয়ে যদি কারো নিকট বিক্রি করে এর
দায়দায়িত্ব ফেয়ারপ্রাইজের ডিলারের নয়। তিনি আরো বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে
ইউ’পি সদস্য’র সাথে কথা বলে দু’জন গ্রাম পুলিশের সহায়তায় এসব চাল হতদরিদ্র
উপকারভোগি সদস্য’র কাছে বিক্রি করা হচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা স্বপন কুমারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে ফুলপুকুরিয়া বাজারে ফেয়ারপ্রাইজের ডিলার মানিক মিয়ার গো-ডাউনে যেয়ে মাষ্টার রোল ও স্টক অনুযায়ী সঠিক পেয়েছেন। তবে চালগুলো কোথা থেকে আসলো এ বিষয়ে তার ধারনা স্থানীয় ফড়িয়ারা উপকারভোগিদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার ভয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
তবে এসব ফেয়ারপ্রাইজের চাল নিয়ে চলছে লুকোচুরি খেলা, কেউবা বলছে ফেয়ারপ্রাইজের ডিলার মানিক মিয়া এসব চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাঁচার করার সময় লোকজন দেখে ওই জায়গায় ফেলে রেখে যায়। আবার অনেকেই বলছেন মানিককে ফাঁশিয়ে দেওয়ার জন্য উপকারভোগিদের কাছ থেকে চাল কিনে ওইসব জায়গায় রেখে দেওয়া হয়।

গোবিন্দগঞ্জ খাদ্যনিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা স্বপন কুমারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে ফুলপুকুরিয়া বাজারে ফেয়ারপ্রাইজের ডিলার মানিক মিয়ার গো-ডাউনে যেয়ে মাষ্টার রোল ও স্টক অনুযায়ী সঠিক পেয়েছেন। তবে চালগুলো কোথা থেকে আসলো এ বিষয়ে তার ধারনা স্থানীয় ফড়িয়ারা উপকারভোগিদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার ভয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
তবে এসব ফেয়ারপ্রাইজের চাল নিয়ে চলছে লুকোচুরি খেলা, কেউবা বলছে ফেয়ারপ্রাইজের ডিলার মানিক মিয়া এসব চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাঁচার করার সময় লোকজন দেখে ওই জায়গায় ফেলে রেখে যায়। আবার অনেকেই বলছেন মানিককে ফাঁশিয়ে দেওয়ার জন্য উপকারভোগিদের কাছ থেকে চাল কিনে ওইসব জায়গায় রেখে দেওয়া হয়।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷