গোবিন্দগঞ্জে বসতবাড়ী ও মাদ্রাসা ঘেষে "ছ"মিল ||"ছ"মিলের সোঁ সোঁ শব্দে পাঠদান ব্যাঘাত ও জনজীবন বিপন্ন||
গোবিন্দগঞ্জে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বছর খানেক আগে হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও বসতবাড়ি সংলগ্ন জমিতে স্থাপন করা হয়েছে অবৈধ "ছ" মিল এতে "ছ" মিলের সোঁ সোঁ শব্দ ও ধূলায় মাদ্রাসার পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটাসহ পাশাপাশি জনবসতিদের মাঝেও বিপন্নতা নেমে এসেছে।
নানাবিধ সমস্যার কারণে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কুঞ্জনাকাই গ্রামে কুঞ্জনাকাই হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও বসতবাড়ি সংলগ্ন জমিতে অবৈধ "ছ" মিলটি মাদ্রাসা ও জনবসতিপূর্ণ এলাকা হতে সরাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী প্রতিবেশীসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজনদের অভিযোগ, হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও বাসা-বাড়ির সাথে অবৈধ ছ' মিল স্থাপনের কারণে এর বিকট শব্দে শিশুসহ পরিবারে সকলেই শব্দ দুষণের আক্রান্ত হচ্ছে।এতে শিশুদের সুস্থ্য স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা চরম হুমকীর মুখে পড়েছে । এ বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রতিবেশির পক্ষে ইউনিনের সাবেক ইউ,পি সদস্য আমিরুল ইসলাম সরকার বাদশার পুত্র মোঃ রেজাউল করিম সরকার বলেন,"আমার বাসা সংলগ্ন উত্তর পাশে'র জমিতে কুঞ্জনাকাই গ্রামের মৃত আব্দুল গনি প্রধানের পুত্র জয়নাল হক প্রধান ও আয়নাল হক প্রধান উভয় মিলে রামপুরা গ্রামের তৃতীয় ব্যক্তি মোঃ মমতাজ মিয়ার যোগসাজসে অবৈধভাবে একটি ছ'মিল স্থাপন করেছে।
উক্তস্থানে ছ'মিল স্থাপন করায় শব্দ-দূষন, কাঠ ফাড়ার গুড়ো-ধূলোয় জনজীবন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।শব্দ দূষণের ফলে লেখাপড়া ব্যাঘাত ও কাঁঠের গুড়ো ধূলায় শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছে। শুধু তাই নয় এই ছ'মিলের কারনে গাছ খেকোরা আশপাশ গ্রামে ও রাস্তার অপরিপক্ক গাছ কর্তন করে পরিবেশের মারত্মক বিপর্যয় ঘটাচ্ছে।
তিনি জানান গত ৮ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে তদন্ত সাপেক্ষ এই ছ মিলটি জনবসতি এলাকা হতে সরাতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন'।
এদিকে গতকাল ১ ই সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে কুঞ্জনাকাই হাফেজিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন বসতবাড়ির সাথে একটি ছ'মিল চালু থাকতে দেখা যায়। এই মিলের বিকট শব্দ মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছাত্রদের প্রতি পড়াশুনায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ছ'মিলের বিকট শব্দে ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে না। দিনরাত মিল চালু থাকায় বিনিদ্র রাত কাটে তাদের।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী,অবিলম্বে এই অবৈধ ছ'মিল উচ্ছেদ করে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা,সুস্থ্য স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করাসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এদিকে এ বিষয়ে ছ'মিলের মালিক পক্ষের সাথে কথা বললে তারা বলেন 'এখানে আমরা কাঠ কেনাবেচা করি এবং মাঝে মধ্যে মিল চালু দিয়ে কাঠ ফাঁড়ার কাজ করি এতে কারো কোনো সমস্যা হয়না। তিনি বলেন আমাদের ব্যাবসায় কিছু কুচক্রী মহল ঈর্ষাণীত হয়ে নানা অভিযোগ করছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷