https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 গোবিন্দগঞ্জে কীডনি পাচার কারীর চক্র পরে কিডনী হারালো ৭জন - Gaibandha Online Portal

Breaking News

গোবিন্দগঞ্জে কীডনি পাচার কারীর চক্র পরে কিডনী হারালো ৭জন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের পল্লীতে কীডনি পাচার কারীর চক্রে পরে কিডনি হারালো ৭ জন।
রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামে একই পাড়ার ৭জন ব্যাক্তির কিডনী বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কীডনি হারালেন যারা তারা হলেন, উপজেলার নওগাঁ গ্রামের হাবিজার রহমান এর পুত্র মালেক মিয়া(৪৫),পচা,খয়বর ,সাইদুর মিয়া,।
গত এক বছরের মধ্যে সাত জন একের পর এক কিডনী ভারতে গিয়ে বিক্রি করেছেন
মালেক মিয়ার বাড়িতে গিয়ে মালেকের খোজ খবর নিয়ে জানা যায়, মালেক এখন ঢাকায় থাকেন।কিডনী বিক্রি ব্যাপারে তার ছেলে বাবু মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান,আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করে আমরা পরিবারের কেউ এ ব্যাপারে জানিনা।
মালেক মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক যেনে বিষয় টি প্রথমে অশিকার করলেও কথা বলার এক পর্যয়ে শিকার করেন।কার মাধ্যমে গেলেন সে কথা জানতে চাইলে মালেক বলেন, পাশের বাড়ী নওগাঁ গ্রামের ইউপি সদস্যর ছোট ভাই মৃতঃ লুৎফর রহমান এর পুত্র মিলন (৩৫) আমাকে মানিক নামের একজনের সাথে পরিচয় করে দেয়।টাকার বিনিময়ে কিডনি দিতে হবে বলে জানায় মানিক।একটি কিডনী কন্টাক করে তিন লাখ টাকা। ভিসা পাসপোট মানিক করে দিয়েছে এসব করতে এক দুই মাস সময় লাগে।ভিসা পাসপোট রেডি হলে ভারতের দিল্লিতে নিয়ে যায়।আমার একটি কিডনী নেওয়া হলে আবার ঢাকায় নিয়ে আসে।
মানিক জসিম নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে সেখান থেকে আমাকে দুই লাখ আশি হাজার টাকা দেয়। টাকা নিয়ে আমি বাড়িতে আসি কিছু দেনা পাওনা ছিল শোধ করে আবার ঢাকায় এসে এখন চাকরি করে সংসার চালাই।
মালেক এর তথ্য অনুযায়ী পাচার কারী চক্রের সদস্য একই গ্রামে মিলনের বাড়ীতে গিয়ে কথা বললে মিলন জানান,মানিক নামের কাউকে চিনিনা।কিডনী ব্রিক্রির অনেক দিন পর আমরা এলাবাসী জানতে পারি মালেক কিডনী ব্রিক্রি করছে।
এই চক্রের আর একজন হলেন জয়পুরহাট জেলার কালাই থানা ঠান্ডা মিয়ার পুত্র মানিক(৩৫)। সে ওখান থেকে ছেড়ে আসেন গোবিন্দগঞ্জে রাজাহার ইউয়িনের পারইল গ্রামে তার বোনের বাড়ীতে।

মানিক মিয়ার কাছে কিডনী বিষয়ে জানতে চাইলে,মালেকের কাছে থাকার কথা শিকার করে মানিক আরো জানান,আউলিয়া,আমিও সাগর নামের তিন জন কালাই থানায় পুলিশের হাতে ধরাপরে জেল খাটছি।
মিলন এই চক্রে আছে কিনা জানতে চাইলে এই চক্রের সাথে মিলন একজন সদস্য কিন্তু সে কখনো ধরা পরেনি। ঘটনাটি জানা জানি হলে এলাকার সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ বিরাজ করে।
সচেতন মহলের দাবি এদের আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকষন করে তারা।
সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকে সরে পড়ায় আর কিছু জানা যায়নি।
No photo description available.

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷