https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 "গাইবান্ধার জনগণের হৃদয়ে একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে চাই"- -প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া,বিপিএম পুলিশ সুপার,গাইবান্ধা ৷ - Gaibandha Online Portal

Breaking News

"গাইবান্ধার জনগণের হৃদয়ে একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে চাই"- -প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া,বিপিএম পুলিশ সুপার,গাইবান্ধা ৷


"গাইবান্ধার জনগণের হৃদয়ে একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে চাই"-

-প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া,বিপিএম
পুলিশ সুপার,গাইবান্ধা ৷ 

'সেবাই পুলিশের ধর্ম' - এই স্লোগানে ওয়াদাবদ্ধ হয়ে একটি বাহিনী গঠিত হয়েছে সেটিই বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী ৷ মানবের মাঝেই আমি বাঁচিবারে চাই ৷ পুলিশ বাহিনীতে যেভাবে মানুষের কাছে থেকে মানব সেবা করা যায় আমার মনে হয় আর কোন পেশা থেকে এমন সেবা দেয়া সত্যিই দুরুহ ৷ উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া, বিপিএম ৷
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)এর লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে চাকুরী নেন বাংলাদেশ পুলিশে ৷ পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন আইবিএ থেকে এমবিএ করেন মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত এই পুলিশ সুপার ৷
তিনি বলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার হয়েও আমার মনের ভিতরে থাকা লুকানো পুঞ্জিভূত আকাঙ্খার জন্যই আমি পুলিশে চাকুরী নিয়েছি ৷ মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছাটা ছিল আমার স্বপ্ন, আমার ভালবাসা ৷ আল্লাহ আমার সেই আশা পূরণ করেছে পুলিশ বাহিনীতে চাকুরী প্রদানের মাধ্যমে ৷
Image may contain: 1 person
প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া গাইবান্ধায় আসার পর থেকেই তার মেধা মননশীলতা ও কর্মপরিকল্পনা দিয়ে গাইবান্ধার মানুষকে রেখেছেন শান্তিতে ৷ জেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতির উন্নন ও পুলিশেরর কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিং এর কার্যক্রমকে গতিশীল করেছেন। জেলা পুলিশের পাশাপাশি এর মাধ্যমে নারী নির্যাতন, ইভটিজিং, বাল্য বিবাহ, মাদক প্রতিরধ, যৌতুক, জুয়া, জমি-জমা সংক্রান্ত ছোটখাট বিরোধ নিষ্পত্তি, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেয়া, জঙ্গি তৎপরতা প্রোতিরোধ, অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণসহ এলাকার সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
এখানকার মানুষের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ক্লান্তিহীনভাবে ৷ এ জেলার মানুষকে সেবা দিতে তিনি মাঠে ঘাটে, চরাঞ্চলে ছুটে চলেছেন কখনো নৌকায়, কখনো পায়ে হেঁটে কখনোবা রিক্সায় চড়ে৷ তিনি গাইবান্ধায় যোগদানের পর থেকে গাইবান্ধা জেলায় সকল প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধ করে ফেলেছেন ৷ আবার অনেকেই ভয়ে এলাকা ছাড়াও হয়েছেন ৷ গাইবান্ধা ছিল নাশকতার প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ৷ সাধারণের মানুষের মতে, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়ার হস্তক্ষেপে বর্তমানে শান্তির জেলা হিসেবে গাইবান্ধা রয়েছে শীর্ষে ৷
এই মানুষটি বর্তমানে জেলায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বলা চলে ৷ মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জে তার উদ্ভাবিত 'ড্রাইভারদের জন্য রিফ্রেশমেন্ট' দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কয়েকদিন পূর্বেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেখে এক অসহায় বৃদ্ধা ভিক্ষুকের ভাতাসহ আবাসনের ব্যবস্থা করে দেন তিনি ৷ এছাড়াও তিনি এ এলাকার অসহায় অনেক মানুষের দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়িয়ে নজির স্থাপন করেছেন ৷ পলাশবাড়ি উপজেলায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য মজিবর রহমানের পরিবারকে তার নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ পঁচাত্তর হাজার টাকা প্রদান করে অসহায় পরিবারটির পাশে এসে দাড়িয়েছেন ৷ সদর থানার আলোচিত তৃষা হত্যার পরিবার সহ দূর্ঘটনায় নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারকেও উপহার হিসেবে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন ৷ এমন সুন্দর মহানুভব মানুষটিকে পুলিশ সুপার হিসেবে পেয়ে গাইবান্ধার মানুষ আনন্দিত ৷
সম্প্রতি অসীম সাহসিকতা, বীরত্বপূর্ণ কাজ এবং দায়িত্বশীল পেশাদারিত্ব এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক গাইবান্ধা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম পদকে ভূষিত হন।
পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়ার এমন চমৎকার মানবতায় এখন এখানকার মানুষ তাকে আলোকিত মানুষ হিসেবে জানেন ৷ পুলিশ বাহিনীতে এমন মানুষ সত্যিই বিরল বলে জেলাবাসী মনে করেন ৷

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷