সাদুল্লাপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধুকে নির্যাতন :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চক ভগবানপুর গ্রামে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন করা হয়েছে।
থানায় অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্র জানা যায়, প্রায় দুই বছর হলো উক্ত গ্রামের ঠান্ডা মিয়ার মেয়ে সিমু আক্তারের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র লাজুকের সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন পর হইতে অর্থ লোভী আব্দুল হক ও তার পরিবার গৃহবধু সিমুকে বাবার বাড়ি থেকে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক হিসাবে নিয়ে আসার জন্য চাপ দেয় এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। এভাবে নানা জ্বালা যন্ত্রণার মধ্যে দুই বছর অতিবাহিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুন বুধবার ঘটনার দিন সকালে লাজুকের পরিবারের কু-প্ররোচনায় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবারো উক্ত যৌতুকের টাকার জন্য লাজুক স্ত্রী সিমুকে চাপ দেয়, সিমু টাকা আনতে অস্বীকার করলে পরিবারের সবাই মিলে গৃহবধু সিমুকে মারপিট করে। এরই এক পর্যায়ে লাজুক সিমুকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তাহার শরীরের উপর দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে যায় এবং সিমুর শাশুড়ি সিমুর নাকের উপরে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে । পরে আশপাশের লোকজন গৃহবধু সিমুকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেয় । নির্যাতিত গৃহবধুর বাবা ঠান্ডা মিয়া বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠ সমাধানের জন্য এলাকার মাতবরদেরকে জানালে দফায় দফায় আলোচনায় বসলেও লাজুকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় দেন দরবার না মানায় উক্ত ঘটনায় লাজুক, আব্দুল হক, আশিক ও লাকি বেগমকে অভিযুক্ত করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন । অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাদুল্যাপুর থানার (ওসি তদন্ত) মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ।
থানায় অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্র জানা যায়, প্রায় দুই বছর হলো উক্ত গ্রামের ঠান্ডা মিয়ার মেয়ে সিমু আক্তারের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হকের পুত্র লাজুকের সাথে বিবাহ হয়। বিবাহের কিছুদিন পর হইতে অর্থ লোভী আব্দুল হক ও তার পরিবার গৃহবধু সিমুকে বাবার বাড়ি থেকে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক হিসাবে নিয়ে আসার জন্য চাপ দেয় এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। এভাবে নানা জ্বালা যন্ত্রণার মধ্যে দুই বছর অতিবাহিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ জুন বুধবার ঘটনার দিন সকালে লাজুকের পরিবারের কু-প্ররোচনায় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবারো উক্ত যৌতুকের টাকার জন্য লাজুক স্ত্রী সিমুকে চাপ দেয়, সিমু টাকা আনতে অস্বীকার করলে পরিবারের সবাই মিলে গৃহবধু সিমুকে মারপিট করে। এরই এক পর্যায়ে লাজুক সিমুকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তাহার শরীরের উপর দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে যায় এবং সিমুর শাশুড়ি সিমুর নাকের উপরে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে । পরে আশপাশের লোকজন গৃহবধু সিমুকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেয় । নির্যাতিত গৃহবধুর বাবা ঠান্ডা মিয়া বিষয়টি নিয়ে সুষ্ঠ সমাধানের জন্য এলাকার মাতবরদেরকে জানালে দফায় দফায় আলোচনায় বসলেও লাজুকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় দেন দরবার না মানায় উক্ত ঘটনায় লাজুক, আব্দুল হক, আশিক ও লাকি বেগমকে অভিযুক্ত করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন । অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাদুল্যাপুর থানার (ওসি তদন্ত) মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷