চাকুরী হারিয়ে বিপাকে পড়েছে সন্ধ্যা রাণী
একজন দরিদ্র অসহায় স্বামী পরিত্যক্তা ও হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়ের মহিলা ৷ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের (মেরীরহাট) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা।
তিনি দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর যাবৎ হোসেনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঝাড়ুদার হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে মাত্র ৫'শ টাকা বেতনে চাকুরী করে আসছে ৷ চাকুরী স্থায়ী করণের আশায় দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সততা, নিষ্ঠার সাথে সন্ধ্যা রাণী কাজ করছেন ৷
গত ১৬/০৪/২০১৭ইং তারিখে ভূমি মন্ত্রনালয় উপ-সচিব গোলাম মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র জানা যায়, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ঝাড়ুদার পারিশ্রমিক মাসিক ৫'শ টাকার স্থলে ৩ হাজার টাকা পুনঃ নির্ধারন করা হয়েছে ৷ এতেই বিপাকে পড়েছেন সন্ধ্যা রাণী..!
সন্ধ্যা রানীর দাবী পলাশবাড়ী উপজেলার সদ্য বদলীজকৃত ভূমি কর্মকর্তা আরিফ হোসেন আমার নিকট চাকুরীর বেতন বৃদ্ধির হওযার জন্য টাকা দাবী করেন, আর আমি অসমর্থ হওয়ায় দাবীকৃত টাকা দিতে পারিনি ৷ এতেই বড় সাহেব ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্থলে রুহুল আমিনকে নিয়োগ প্রদান করেন ৷ বিষয়টি নিয়ে সন্ধ্যা রাণী একাধিকবার তহশীলদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সমাজপতিসহ বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেছেন ৷ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সাংবাদিক ও সচেতন মহলের কাছে চাকুরীটি ফিরে পেতে জোর দাবী জানান। সন্ধ্যা রাণী কি তার চাকুরী ফিরে পাবে না..?
প্রশ্নটা করেছেন শিক্ষিত সুশিল সমাজের লোকদের।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷