https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নতুন কমিটিতে উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার হারুন অর রশিদ (হিমেল) - Gaibandha Online Portal

Breaking News

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নতুন কমিটিতে উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার হারুন অর রশিদ (হিমেল)

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নতুন কমিটিতে উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার হারুন অর রশিদ (হিমেল)। তার বাড়ি পলাশবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক পদে মনোনীত হওয়ায় তার নিজ জেলার মানুষের মধ্যে আনন্দ বয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, পারিবারিকভাবেই আওয়ামী আদর্শের রক্ত বহন করেন হারুন অর রশিদ (হিমেল)। হিমেল ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি পলাশবাড়ী এস এম পাইলট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১১ সালে জিপিএ-৫ .০০ পেয়ে এসএসসি পাস করেন এবং ২০১৩ সালে পলাশবাড়ী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে জিপিএ-৫ .০০ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন । তার পিতা পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় সদস্য এবং পেশায় তিনি একজন শিক্ষক। তিনি ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা প্রতীকের পোলিং এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । সেই নির্বাচনে ৫০ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮ টিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর হয় । এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পোলিং এজেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও হারুন অর রশিদ (হিমেল) এর আপন বড় ভাই (ওবায়দুল আযহা) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী। বর্তমানে সে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মূখতার এলাহী হল শাখা ছাত্রলীগের ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর থেকেই তিনি ছাত্রলীগের সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক হবার আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখার ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান ছাত্ররাজনীতির মানবিক ও সামাজিক ধারার অন্যতম ধারক তিনি। জানা যায় সামাজিক ও মানবিক ধারার কাজ তার স্বভাবজাত। মোট কথা বলা যায়, কোন লিংক লবিং ব্যতিরেকে শুধুমাত্র নিজের কাজ দিয়ে ছাত্ররাজনীতির সর্বোচ্চ পরিষদে আরোহন করেন তিনি।
 

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷