গাইবান্ধায় শ্রমিক নেতা ও সাংবাদিক রবিউল হোসেনের মৃত্যু ॥ শোক প্রকাশ
গাইবান্ধার বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা রবিউল হোসেন (৭৪) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি.......রাজেউন) । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৫ মেয়ে রেখে গেছেন। রোববার গভীর রাতে তিনি নিজ বাড়ি গাইবান্ধা শহরের সরকারপাড়ায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সোমবার তার গ্রামে বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজিরবাজারে বাদ আছর প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ এশা গাইবান্ধা পৌর গোরস্থান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়। রবিউল হোসেন দৈনিক ঘাঘট-এর সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জাতীয় সাপ্তাহিক ও দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি, জেলা ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী লেবার কোর্টের স্থায়ী সদস্য ছিলেন।এদিকে রবিউল হোসেনের মৃত্যুতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কে.এম রেজাউল হক, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সাবু, প্রধান উপদেষ্টা গোবিন্দলাল দাসসহ অন্যান্য সাংবাদিকদের মধ্যে পৃথক শোক বিবৃতি জানিয়েছেন সৈয়দ নুরুল আলম জাহাঙ্গীর, আব্দুস সামাদ সরকার বাবু, দীপক কুমার পাল, অমিতাভ দাশ হিমুন, নুরুজ্জামান প্রধান, আবেদুর রহমান স্বপন, আব্দুল কাফি সরকার, সিদ্দিক আলম দয়াল, ইদ্রিসউজ্জামান মোনা, শাহাবুল শাহীন তোতা, উত্তম সরকার, আব্দুল মান্নান চৌধুরী, উজ্জল চক্রবর্ত্তী, আসাদুজ্জামান মামুন, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম বাবু, আজাদ হোসেন সরকার, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, কুদ্দুস আলম, ফেরদৌস ইসলাম খান, ফারুক হোসেন, খুরশিদ বিন আতা খসরু, এম আবদুর সালাম, রাসেল আহমেদ লিটন, মমতাজুল ইসলাম লিয়াকত, তপন চৌধুরী, জান্নাতুল ফেরদৌস জুয়েল, এবিএম ছাত্তার, সরদার মো. শাহীদ হাসান লোটন, আফতাব হোসেন, আফরোজা বেগম লুনা, খায়রুল ইসলাম, প্রবাল চৌধুরী, রজতকান্তি বর্মন, হেদায়েতুল ইসলাম বাবু, সুজন প্রসাদ, আবু কায়সার শিপলু, কায়সার রহমান রোমেল।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷