আসামী কারাগারে থাকায় বাড়ী-ঘর ভাংচুর মালামাল লুট, আদালতে মামলা
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলার আমলাগাছি গ্রামে গত ৩০ অক্টোবর/১৭ সোবার সকাল ১১ টায় বিবাদি ফেরদৌস মিয়ার বাড়ি ঘর ভাংচুর, গাছপালা কর্তন সহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির করার অপরাধে জেলা গাইবান্ধা প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে (পলাশবাড়ী) মামলা দায়ের করেছেন। ফেরদৌস মিয়া একই গ্রামের প্রতিবন্ধি নুরু মন্ডলের ছেলে।
বাদির আরজি সূত্রে জানা যায়, আসামি পলাশবাড়ী উপজেলার আমলাগাছি গ্রামের মৃত সিরাজ মন্ডলের ছেলে মোঃ গোলজার রহমান কে ২নং আসামি ও ৯ জনকে আসামি করে আদালতে দঃ বিঃ ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩৮০/৩৭৯/৪২৭/৫০৬(১১) /১১৪ ধারায় তারিখ ৩০/১০/২০১৭, মামলা নং- সি,আর-২১৬/১৭ দায়ের করেন।
বিবাদির অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিবাদি ও বাদির মধ্যে জমি নিয়ে দন্দ্ব চলছিল। গত ১৭ এপ্রিল/১৭ বাদি গোলজার রহমানের ভাতিজা এনামুল সন্ত্রাসীদের দ্বারায় নিহত হইলে গোলজার রহমান পলাশবাড়ী থানায় ছয় জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং জি আর ২১৭/১৭।
এদিকে আসামিগণের মধ্যে ১৪ জুলাই/১৭ তারিখে ১নং ও ২নং আসামী ২জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বিবাদিরা জেল হাজতে আবদ্ধ থাকায় বাদিগণ গত ১৪ অক্টোবর/১৭ শনিবার সকাল ১১ টায় বিবাদির বাড়ি ঘর ভাংচুর, গাছপালা কাটাসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করেন।
সরোজমিনে সোমবার উপজেলার আমলাগাছি গ্রামে বিবাদি ফেরদৌস মিয়ার বাড়ি ঘরের জায়গা দেখতে গেলে সেখানে বাড়ি ঘরের কোন চিহ্ন পাওয়া যায় নি।
এলাকায় বসবাসকারী আব্দুল মতিন মন্ডল বলেন, ফেরদৌস মিয়া সংসারের বড় ছেলে । তাকে গোলজার রহমান মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তার বাড়ি দখল করার পায়তারা করছে। গোলজার রহমান প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা এলাকাবাসী তাকে কিছু বলতে পারিনা।
পাশের বাড়ীর লিপি বেগম স্বামী সোবহান মন্ডল বলেন, আমাদের চোখের সামনে ঘর বাড়ী, গাছ পালা কেটে নিয়ে যায় আমরা ভয়ে কিছু বলতে পারিনি।
এদিকে বাদি গোলজার রহমান কে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে তিনি জানান, এই জায়গাটি আমার। ওই জায়গাটি বিবাদির নহে।
অপরদিকে পলাশবাড়থানার ওসি মাহাবুবল আলম জানান, এখন পযন্ত আদালত হতে থানায় কোন মামলা আসেনি। মামলা আসলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷