গাইবান্ধায় নারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের শাস্তির দাবীতে পিবিআই কে স্মারকলিপি প্রদান ||
গৃহ পরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সুনির্দিষ্ট মামলার আসামি গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইউনুস আলীসহ গাইবান্ধা জেলায় সংঘটিত সকল নারী -শিশু নির্যাতনকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপার, পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পি বি আই) গাইবান্ধা কে বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র ও সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের গাইবান্ধা শাখার পক্ষ থেকে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৩জুলাই) দুপুর ১২টায় সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ গাইবান্ধা জেলা পিবিআই পুলিশের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পিবিআই কর্মকর্তার নিকট সরাসরি এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের গাইবান্ধা শাখার সভাপতি সুভাসিনী দেবী, সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের আহ্বায়ক ইসরাত জাহান লিপি,সদস্য আফরোজা বেগম প্রমুখ।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের বলেন সারাদেশের ন্যায় এই সময় গাইবান্ধা জেলায়ও কয়েকটি নারী শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষক বিত্তশালী ও ক্ষমতাবান হওয়ায় তারা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকছো এবং তারা এতে পার পেয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ উল্লেখ্য করেন- সম্প্রতি অন্যতম ঘটনা হলো গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইউনুস আলী তার গৃহপরিচারিকা কিশোরী কে ধর্ষণ করে এবং তার বিরুদ্ধে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হলেও তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।
এতে এ নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন প্রশাসনের এ ভুমিকার কারনে অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধি পাবে। আমাদের সমাজে বিচার হীনতার কারনে খুন, ধর্ষন হচ্ছে।তাই অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ধর্ষনকারী শিক্ষক ইউনুস আলীসহ গাইবান্ধা জেলায় সংগঠিত নারী শিশু নির্যাতনকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানান।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷