গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ২শ যাত্রীসহ ৪ টি নৈশ্য কোচ আটক করেছে পুলিশ
সরকারি নির্দেশকে অমান্য করে গনপরিবহনে যাত্রী আনা নেওয়ার সময় গত ০১ মে, ২০২০ ফাতেমা এন্টার প্রাইজসহ বেশ কয়েকটি নৈশ কোচ আটক করে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ। এতে উল্লেখিত পরিবহনের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা আদায় করে গাইবান্ধা ট্রাফিক বিভাগ।
কিন্তু, এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ৪ মে সোমবার দিবাগত রাতে আবারো বিভিন্ন এলাকার ১০০ জন যাত্রী নিয়ে ফাতেমা পরিবহনের দুইটি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করে।
এসময় ট্রাফিক পুলিশ যাত্রীসহ একটি বাস আটক করে থানায় নিয়ে গেলে ও অপর একটি বাস দ্রুত বেগে ঢাকার উদ্দেশ্য পলাশবাড়ী ত্যাগ করে।
এসময় ট্রাফিক পুলিশ ১৫০ যাত্রীসহ আরো তিনটি বাস আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় সরকারের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে
একই পরিবহন বারংবার রাস্তায় নামানোর ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পরেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ব্যাক্তি জানান একটি নৈশ্য কোচ যাত্রী প্রতি ১৫ শ টাকা করে সীট বুকিং দিয়ে টিপ প্রতি ৭৫ হাজার টাকা ইনকাম করে।এ ক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগকে ২০/২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিলে ও অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা মালিক পক্ষ পায়।সুতরাং জরিমানা দিয়ে ও এই সব মালিক গনপরিবহন চালাতে শুরু করেছে।
অনেকে আবার অভিযোগের তীর ছুরে মারেন ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে এরা মোটা অংকের টাকার বিনিয়মে এসব গনপরিবহন ছেরে দিচ্ছে।
এ ভাবে যদি অব্যাহত ভাবে গনপরিবহন চলতে থাকে তাহলে করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা বলা বাহুল্য।
কিন্তু, এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ৪ মে সোমবার দিবাগত রাতে আবারো বিভিন্ন এলাকার ১০০ জন যাত্রী নিয়ে ফাতেমা পরিবহনের দুইটি বাস ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করে।
এসময় ট্রাফিক পুলিশ যাত্রীসহ একটি বাস আটক করে থানায় নিয়ে গেলে ও অপর একটি বাস দ্রুত বেগে ঢাকার উদ্দেশ্য পলাশবাড়ী ত্যাগ করে।
এসময় ট্রাফিক পুলিশ ১৫০ যাত্রীসহ আরো তিনটি বাস আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় সরকারের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে
একই পরিবহন বারংবার রাস্তায় নামানোর ফলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পরেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ব্যাক্তি জানান একটি নৈশ্য কোচ যাত্রী প্রতি ১৫ শ টাকা করে সীট বুকিং দিয়ে টিপ প্রতি ৭৫ হাজার টাকা ইনকাম করে।এ ক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগকে ২০/২৫ হাজার টাকা জরিমানা দিলে ও অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা মালিক পক্ষ পায়।সুতরাং জরিমানা দিয়ে ও এই সব মালিক গনপরিবহন চালাতে শুরু করেছে।
অনেকে আবার অভিযোগের তীর ছুরে মারেন ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে এরা মোটা অংকের টাকার বিনিয়মে এসব গনপরিবহন ছেরে দিচ্ছে।
এ ভাবে যদি অব্যাহত ভাবে গনপরিবহন চলতে থাকে তাহলে করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে তা বলা বাহুল্য।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷