সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গায় সেতুর মুখ ও পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ করে ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙ্গা সড়কের কালিতলা নামক এলাকায়
আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতুর মুখ ও পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ করে নির্মাণ করা
হচ্ছে বহুতল ভবন ও সীমানা প্রাচীর ! এটি একমাত্র সেতু যা দিয়ে
বর্ষাকালে বামনডাঙ্গার সরকার পাড়া, শালমারা, রায় পাড়া, নয়া পাড়া সহ
ইউনিয়নের উত্তর এলাকার বন্যার পানি নিস্কাশন হয়ে ল্যাংগা খালের মাধ্যমে
যমুনা নদীতে প্রবাহিত হয়। সেতুটির মুখ ও
পানি চলাচলের পথ বন্ধ করলে বর্ষা মৌসুমে উল্লেখিত এলাকার ফসলি জমি
ও বসত বাড়ি পানিতে নিমজ্জিত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে ফসল নষ্ট হয়ে
যেমন খাদ্য ঘাটতি হবে তেমনি জলাবদ্ধতায় জনজীবনে আসবে দূর্ভোগ। সেতুটির এক
তৃতীয়াংশ জায়গা মাটি দ্বারা ভরাট করে নির্মিত হয়েছে এক প্রভাবশালীর
বহুতল ভবনের ভিত্তি ! অার সেতু সংলগ্ন পশ্চিম পাশের জমি কিনে মাটি
ভরাট ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছেন জামাল হোসেন ভোলা নামের এক
ধনাঢ্য প্রভাবশালী ব্যবসায়ী।
সরেজমিনে সেতু দেখতে গিয়ে কথা হয়, সুন্দরগঞ্জ ডি,ডব্লিউ, সরকারী
কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অালমগীর হোসেনের সাথে। তিনি বলেন-পানি
নিস্কাশনের পথ বন্ধ করে ভবন ও প্রাচীর নির্মাণ করা হলে, সেতুর
উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত ফসলি জমি পানিতে নিমর্জিত হবে এবং বর্ষায়
বাড়িতেও পানি ঢুকে বন্যার সৃষ্টি করবে । তিনি ভবন ও প্রাচীর নির্মাণ
বন্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।
প্রাচীর নির্মাণকারী জামাল হোসেন ভোলা বলেন, অামি ক্রয়কৃত জমির ৭ ফিট জায়গা বাদ রেখে প্রাচীর নির্মাণ করছি ।
সেতুটির দৈর্ঘ প্রায় ২০ ফিট। এভাবে ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হলে তা উল্লেখিত এলাকার মানুষের জন্য দুর্ভোগ বয়ে অানবে ।
কর্তৃপক্ষের নিকট প্রশ্ন? জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার জনকল্যাণে কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু বা ব্রীজ নির্মাণ করে। আর কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এই কোটি টাকা মূল্যের ব্রিজ বা সেতুর মুখ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে ফসলি জমি নষ্টসহ জনজীবন দূর্বিষহ করে তোলে। সেতু বা ব্রীজের মুখ বন্ধকারীদের চিহ্নিত করে ব্রীজ বা সেতু নির্মাণের অর্থ জরিমানাসহ শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

প্রাচীর নির্মাণকারী জামাল হোসেন ভোলা বলেন, অামি ক্রয়কৃত জমির ৭ ফিট জায়গা বাদ রেখে প্রাচীর নির্মাণ করছি ।
সেতুটির দৈর্ঘ প্রায় ২০ ফিট। এভাবে ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হলে তা উল্লেখিত এলাকার মানুষের জন্য দুর্ভোগ বয়ে অানবে ।
কর্তৃপক্ষের নিকট প্রশ্ন? জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার জনকল্যাণে কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু বা ব্রীজ নির্মাণ করে। আর কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি এই কোটি টাকা মূল্যের ব্রিজ বা সেতুর মুখ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে ফসলি জমি নষ্টসহ জনজীবন দূর্বিষহ করে তোলে। সেতু বা ব্রীজের মুখ বন্ধকারীদের চিহ্নিত করে ব্রীজ বা সেতু নির্মাণের অর্থ জরিমানাসহ শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷