পলাশবাড়ীতে ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায় : মানা হচ্ছে না ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩
থামছে না ফসলি জমির মাটি কাটা। প্রতিনিয়ত কৃষি জমি পরিণত হচ্ছে
পুকুর-ডোবায়। কমে আসছে ফসলের উৎপাদন। বেকার হচ্ছে কৃষক। পরিবেশ হচ্ছে
দূষিত। মাটি পরিবহনে ব্যবহার করা হচ্ছে গ্রামীণ কাঁচাপাকা রাস্তা। আইন
অমান্য করে এমন কর্মকান্ড চলছে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন
এলাকায়। যা দেখেও না দেখার ভান প্রশাসনের।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্নস্থানে কৃষকরা তিন ফসলি ও দোফসলি জমির মাটি বিক্রি করেছে ইটভাটায়। আর ওই মাটি পরিবহন করা হচ্ছে শত শত মাহেন্দ্র (কাঁকড়া), ট্রাক্টর করে। ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত গ্রামীণ সড়কগুলোর ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। যা দেখেও না দেখার ভান করে আছে উপজেলা এবং জেলা প্রশাসন। এসব ট্রাক্টর ও মাহেন্দ্রের বিকট আওয়াজে চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে এবং এলাকার সাধারণ মানুষ শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এছাড়া ধুলাবালিতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগে ভুগছেন।
কৃষকদের নিকট একশ্রেণীর দালাল পাঠিয়ে জমির টপসয়েল মাটি বিক্রি করার জন্য প্রতিনিয়ত ধর্ণা দিচ্ছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার বরিশাল ও মহদীপুর ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার এ প্রতিনিধিকে জানান, ইটভাটা মালিকদের মাটি ক্রয় করার জন্য কিছু দালাল থাকে তারা কৃষকের নিকট গিয়ে জমিতে আবাদ হবে না, মাটি বিক্রি করলে বাড়তি টাকা পাবেন এসব ভুলভাল বুঝিয়ে ৫/৬ ফুট মাটি কেটে নিচ্ছে। আপনি আপনার কৃষি জমির মাটি বিক্রি করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাবা কৃষি জমির ওপরের (টপসয়েল) মাটি বিক্রি করলে আমাদের ক্ষতি। অপরদিকে, পাশের জমির মাটি কাটার ফলে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙ্গে পড়ার খবরও মিলেছে। এমনকি জমিতে দেওয়া সেচের পানি আটকে রাখা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। মাটিভর্তি ট্রাক্টর, মাহেন্দ্র ও ট্রলিগুলো গ্রামীণ সড়ক দিয়ে চলাচল করার কারণে উঁচু-নিচু, এবড়ে-থেবড়ে ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তা ও এলাকায় ধুলাবালির সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে জনমনে বাড়ছে ক্ষোভের সঞ্চার।
উল্লেখ্য, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণ ২০১৩ সালের ৫৯নং আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষি জমি হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদন্ড বা ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হইবেন। আবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত বা ইউনিয়ন বা গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করিয়া কোন ব্যক্তি ভারি যানবাহন দ্বারা ইট বা ইটের কাঁচামাল পরিবহন করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দন্ডিত হইবেন। এতসব আইন থাকার পরও ভূমিদস্যুরা আইনের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে কিংবা ম্যানেজ করে এসব কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এবিষয়ে সচেতন উপজেলাবাসী উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনাসহ কঠোর আইন প্রয়োগ আশা করছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্নস্থানে কৃষকরা তিন ফসলি ও দোফসলি জমির মাটি বিক্রি করেছে ইটভাটায়। আর ওই মাটি পরিবহন করা হচ্ছে শত শত মাহেন্দ্র (কাঁকড়া), ট্রাক্টর করে। ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত গ্রামীণ সড়কগুলোর ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। যা দেখেও না দেখার ভান করে আছে উপজেলা এবং জেলা প্রশাসন। এসব ট্রাক্টর ও মাহেন্দ্রের বিকট আওয়াজে চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে এবং এলাকার সাধারণ মানুষ শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এছাড়া ধুলাবালিতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগে ভুগছেন।
কৃষকদের নিকট একশ্রেণীর দালাল পাঠিয়ে জমির টপসয়েল মাটি বিক্রি করার জন্য প্রতিনিয়ত ধর্ণা দিচ্ছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার বরিশাল ও মহদীপুর ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার এ প্রতিনিধিকে জানান, ইটভাটা মালিকদের মাটি ক্রয় করার জন্য কিছু দালাল থাকে তারা কৃষকের নিকট গিয়ে জমিতে আবাদ হবে না, মাটি বিক্রি করলে বাড়তি টাকা পাবেন এসব ভুলভাল বুঝিয়ে ৫/৬ ফুট মাটি কেটে নিচ্ছে। আপনি আপনার কৃষি জমির মাটি বিক্রি করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাবা কৃষি জমির ওপরের (টপসয়েল) মাটি বিক্রি করলে আমাদের ক্ষতি। অপরদিকে, পাশের জমির মাটি কাটার ফলে পার্শ্ববর্তী জমি ভেঙ্গে পড়ার খবরও মিলেছে। এমনকি জমিতে দেওয়া সেচের পানি আটকে রাখা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। মাটিভর্তি ট্রাক্টর, মাহেন্দ্র ও ট্রলিগুলো গ্রামীণ সড়ক দিয়ে চলাচল করার কারণে উঁচু-নিচু, এবড়ে-থেবড়ে ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তা ও এলাকায় ধুলাবালির সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে জনমনে বাড়ছে ক্ষোভের সঞ্চার।
উল্লেখ্য, সরকারি গেজেটে প্রকাশিত মাটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসকরণ ২০১৩ সালের ৫৯নং আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি ইট প্রস্তুত করিবার উদ্দেশ্যে কৃষি জমি হইতে মাটি কাটিয়া বা সংগ্রহ করিয়া ইটের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদন্ড বা ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ডে দন্ডিত হইবেন। আবার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক নির্মিত বা ইউনিয়ন বা গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করিয়া কোন ব্যক্তি ভারি যানবাহন দ্বারা ইট বা ইটের কাঁচামাল পরিবহন করিতে পারিবেন না। যদি কোন ব্যক্তি আইনের এই ধারা লঙ্ঘন করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দন্ডিত হইবেন। এতসব আইন থাকার পরও ভূমিদস্যুরা আইনের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে কিংবা ম্যানেজ করে এসব কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। এবিষয়ে সচেতন উপজেলাবাসী উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনাসহ কঠোর আইন প্রয়োগ আশা করছেন।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷