https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 গাইবান্ধায় বজ্রপাতসহ ঘন্টাব্যাপী ভারি বর্ষণ।। উজানের পানিতে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো নুতুন করে প্লাবিত - Gaibandha Online Portal

Breaking News

গাইবান্ধায় বজ্রপাতসহ ঘন্টাব্যাপী ভারি বর্ষণ।। উজানের পানিতে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলো নুতুন করে প্লাবিত

গাইবান্ধা জেলায় ১৪ জুলাই রবিবার রাত ১৩টা ৩০ মিনিটে প্রচন্ড বজ্রপাতসহ ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। বিগত কয়েকদিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে শুধু পুকুর ডোবা সহ নিম্নাঞ্চলে পানি হলেও এ ভারি বর্ষণে বন্যার সম্ভাবনাকে আর'ও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে বিকট গর্জনে ভূমি কাঁপন তুলেছে এ বজ্রপাতগুলো। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যান্ত বজ্রপাতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া সম্ভব হয়নি।
উজান হতে ঢলের পানিতে গাইবান্ধার যমুনাসহ অন্যান্য নদীগুলোর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি সাঘাটার চরাঞ্চলে উজান হতে নেমে আসা পানিতে থৈ থৈ করছে। এমন ভারি বর্ষণে বন্যার আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ী সাঘাটার নিম্নাঞ্চল এলাকার মানুষ নৌকা যোগে নিরাপদ এলাকায় সরে যাচ্ছে। সদরের বাগুড়িয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে আবারও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাঁধের প্রায় ১শ ফিট অংশ ধ্বসে গেছে। ফলে আকস্মিক বন্যায় প্রায় ৭ শতাধিক বাড়িঘর ও ওইসব এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে বানভাসি মানুষের আরো দুর্ভোগ বেড়েগেছে। যাতায়াতে ঘটছে বিড়ম্বনা।
গাইবান্ধা জেলার নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করলে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু রাখা সম্ভব হতো কিছু উচু এলাকায়। গ্রামীন কাচা রাস্তাগুলো অনেকটা সংস্কারের অবহেলায় থাকে তা দৃশ্যমান। দু বছর গত হলেও পানির তোড়ে রাস্তা ভেঙ্গে গেলেও তা সংস্কার হয়নি এর ফলে ঐ এলাকায় প্রায় আড়াই শত পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।
গ্রামিন কাচা সড়ক ও বাঁধের উপর গবাদিপশু তুলে আনছে এবং একটু উচু জায়গায় অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করছে ভূক্তভোগিরা। সাঘাটা চরাঞ্চল এলাকায় কয়েকদিন হলো পানিবন্দি হয়ে পরলেও কোনো প্রকার ত্রাণ ও খােঁজ খবর রাখছেনা বলে অভিযোগ করছে এলাকাবাসী। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, ৪টি উপজেলার প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এবং পানিবন্দী নিরাশ্রয় মানুষের জন্য ৬৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় বন্যা কবলিত ৪ উপজেলায় ২৪০ মে. টন চাল, নগদ ২ লাখ টাকা, ২ হাজার শুকনা খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

Image may contain: sky, outdoor and nature

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷