https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 গোবিন্দগঞ্জের রাজা বিরাটে চক্র বৃদ্ধি হারে সুদের ব্যবসা রমরমা নিঃস্ব হচ্ছে সাধারন মানুষ - Gaibandha Online Portal

Breaking News

গোবিন্দগঞ্জের রাজা বিরাটে চক্র বৃদ্ধি হারে সুদের ব্যবসা রমরমা নিঃস্ব হচ্ছে সাধারন মানুষ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রাজা বিরাট হাটে রমরমা সুদের ব্যবসায় নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারন মানুষ। দাদন ব্যবসায়ীদের চক্র বৃদ্ধি সুদের ফাঁদে নির্যাতনের শ্বিকার ভুক্তভোগীদের নানা অভিযোগ করেছে। উপজেলার রাজা বিরাট হাটে প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার টাকা সুদ দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। সপ্তাহ শেষে সুদের টাকা দিতে না পারলে চক্রবৃদ্ধি হারে বৃদ্ধি পায় সুদের টাকা। টাকা দিতে পরে না দিতে পারলে মাঠের জমি, গরুএমনকি বসতভিটা পর্যন্ত লিখে দিতে হয় সুদ ব্যবসায়ীদের নামে।সুদ ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এরই মধ্যে অনেকে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে। সুদের ব্যবসা কয়েক বছর ধরে চলছে এ হাটের আশপাশের গ্রামে গ্রামে। সুদের টাকা নিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।ভুক্তভোগীরা জানান,স্থানীয় ইয়াকুব আলীর ছেলে দাদন ব্যবসায়ী পাঞ্জাবসহ কয়েকজন দীর্ঘ দিন থেকে ভূয়া সমিতির নামে কোটি-কোটি টাকার দাদন ব্যবসা করে আসছে। যদি কেউ বিপদে পড়ে ৫০ হাজার টাকা সুদে নেন, তাহলে পাঁচ মাস পর পাঁচ লাখ টাকা দিয়েও সুদ ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ হয় না। সুদ ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের জমি পর্যন্ত জোরপূর্বক লিখে নেয়। এরা এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এরই মধ্যে এক ব্যক্তি ২০ হাজার টাকা নিয়ে গত এক বছরে ১লাখ টাকা সুদ দিয়েছে তবুও টাকা পরিষোধ না হওয়ায় মারপিট করে গরু ধরে নিয়ে বিক্রি করেছে দাদন ব্যবসায়ী এই চক্র। এমনকি সুদ খোররা অনেকের ব্যাংকের চেকবইয়ের পাতা,ফাঁকা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে বে কায়দায় ফেলে দাদন ব্যবসায়ীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বুনে গেছেন।দাদন ব্যবসায়ীদের নির্যাতনের শ্বিকার ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পেয়ে এরি মধ্য বৈরাগীহাট তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শত-শত মানুষের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ শুনেন ও সত্যতা পান।উচ্চ হারে সুদ দিতে গিয়ে অনেকের জমি বিক্রি করেও সুদের টাকা পরিশোধ হয়নি।ও নানা নির্যাতনের শ্বিকার হয়ে বর্তমানে অনেক পরিবার নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করে সর্বস্বান্ত হওয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী ও সচেতন এলাকাবাসী।এ বিষয়ে রাজা বিরাট হাটের ইজারাদার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাজু মিয়া ঘটনার সত্যতা শ্বিকার করে এসব দাদন ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এতে কঠোর শাস্তি দাবী করেন।
Image may contain: outdoor

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷