গোবিন্দগঞ্জ গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ
থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের ভাগী-শরিক দাবিদার রাসেল ও রানা শেখ বেশ কিছুদিন ধরে তাদের একটি পুরাতন আম গাছের মালিকানা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে গাছটির স্বত্বদখলীয় মালিক সৈকত। কিন্তু মৃত নূরুল ইসলামের পুত্রদ্বয় রাসেল ও রানা সৈকতের অনুপস্থিতিতে গত ৭ জুলাই উক্ত গাছটি জনৈক কাঠ ব্যবসায়ীর নিকট গোপনে বিক্রি করে এবং তা কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৯ জুলাই সৈকত বাড়িতে ফিরে সকাল ১১টার দিকে প্রতিবাদ জানালে রাসেল ও রানা দুই ভাই ক্ষিপ্ত হয় এবং এলাকাবাসীর মধ্যস্থতায় সাময়িকভাবে উভয় পক্ষ শান্ত হয়। দুপুর ২টার দিকে সৈকত স্থানীয় কোচাশহর বাজারস্থ উচ্চ বিদ্যালয় গেটের সামনে আসলে পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা রাসেল ও রানা তার মা মিনি বেওয়াসহ পথরোধ করে মারপিট করতে থাকে। এক পর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে রাসেল তার নিকট থাকা ধারালো চাকু দিয়ে সৈকতকে পর পর আঘাত করে। এতে রক্তাক্ত আহত অবস্থায় তার চিৎকারে বাজারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
উল্লেখ্য, নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় পূর্ব থেকে পারিবারিক দ্বদ্বের কারণে উল্লেখিত মিনি বেগম, দুর্দান্ত সন্ত্রাসী প্রকৃতির রাসেল, রুবেল ও রানাদের নাম উল্লেখ পূর্বক গত ২২ জুলাই ২০১১ গোবিন্দগঞ্জ থানায় ৭৯৩ নম্বর একটি সাধারণ ডায়েরী করেছিল সৈকত।
এদিকে গোবিন্দগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়,১৯ জুলাই রাত ৮টায় সৈকতের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র থানায় জমা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷