সাদুল্লাপুরে গাছের নিচে পড়ে এগার বছর বয়সের শিশুর মৃত্যু||
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বদলাগাড়ী গ্রামে ইউক্লিপটার(আকাশমণি) গাছর নিচে পড়ে মাসুম(১১) নামে এক শিশু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে ।
সরেজমিনে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার বদলাগাড়ী গ্রামের মোস্তফার ছেলে মাসুম বাড়ীর পাশে গাছ কাঁটা দেখতে যায়।গাছ কাঁটা স্থান হতে ৫/৬ ফুট দূরে অবস্থান করছিল মাসুম।এসময় কয়েকজন কাঠ কাঠরেরা করাত দিয়ে গাছ কাটতেছিল। এরপর গাছ সম্পূর্ণ কাঁটা হলে মাসুমের গায়ে পড়ে এবং মাথা ও শরীরের আঘাত পায় এরপর কান, মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়।এমন পরিস্থিতিতে কাঠুরিয়ারা ভয়ে পালিয়ে যায়। তৎক্ষনাৎ স্থানীয় জনগণ মাসুমকে উদ্ধার করে অটো যোগে সাদুল্লাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোঘনা করেন।
আরো জানা যায়,গাছ মালিক আলহাজ্ব আফছার আলীর ছেলে শফিউল,আনিছুর ও শফিকুল ২৬০০০০/ (দুই লক্ষ ষাট হাজার) টাকা বিক্রি করেন সোনাইডাঙ্গার গাছের ব্যাপারী মাজেদের কাছে। মাজেদ বিক্রয় করেন তুলশীঘাটের গাছের ব্যাপারী বক্কর ,রিমন,মাহাবুর নিকট।
এবিষয়ে জানতে চাইলে নিহতের ভাবী সার্জিনা বলেন - মাসুম সকালে উঠে মুখ ধুয়ে কাঠাল খেয়ে শাপলা ফুল তুলে এনে মালা গেঁথে চায়।আমি মালা গেঁথে দিলে গলায় পড়ে খুশিতে বেড়িয়ে যায়। এর কিছুক্ষন পরে চিৎকার শুনতে পাই মাসুম গাছের নিচে চাপা পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী বাবু বলেন- আমি একটু ফাঁকে ছিলাম গাছ পড়ার একটু পর চিৎকার শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এরপর রক্তমাখা মুখ দেখে প্রথমে চিনতে পারিনি। পরে চিনেছি এবং অটোভাড়া করে চিকিৎসার জন্য পাঠাইছি।
নিহতের মা বুক চাপড়ে চিৎকার করে বলেন - মোর বাবাকে এনে দাও। মোর বাবাকে যারা মেরে ফেলছে তার ফাঁসি চাম।
সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন- নিহত মাসুমের বাবা বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এবিষয়ে অসাবধানতাবশ্বত হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
নিহত মাসুমের বাবা মোস্তফা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷