ফুলছড়িতে বিপদসীমার ৩৮ সে.মি. উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি
উজানের
ঢল আর টানা বৃষ্টিতে
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমা
অতিক্রম করায় ১১টি গ্রাম প্লাবিত
হয়েছে। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায়
ইতিমধ্যে ওইসব গ্রামের মানুষ
গবাদিপশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
বন্যা
কবলিত মানুষের অভিযোগ, ফুলছড়ি উপজেলার সৈয়দপুর ঘাট হতে বালাসীঘাট
পর্যন্ত পুরাতন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কয়েকটি স্থানে গত বছর পানির
তোড়ে ভেঙ্গে যায়। কিন্তু সময়মত বাঁধটি সংস্কার না করায় ভেঙে
যাওয়া অংশ দিয়ে পানি
প্রবেশ করে ভাষারপাড়া ও
মাঝিপাড়া তলিয়ে গেছে। একারণে এলাকার লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে
হচ্ছে। বন্যার পানিতে গাইবান্ধা-বালাসী সড়কের আধা কিলোমিটার এলাকা
তলিয়ে গেছে।
এদিকে
পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় উপজেলার উত্তর উড়িয়া, কাবিলপুর, ভাষারপাড়া, মাঝিপাড়া, ছাতারকান্দি, বাজে তেলকুপি, বুলবুলির
চর, কাউয়াবাধা, উজালডাঙা, কৃষ্ণমনি, পূর্ব খাটিয়ামারী গ্রামের লোকজনের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায়
অন্তত তিন হাজার পরিবার
পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
গাইবান্ধা
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী
২৪ ঘন্টায় ফুলছড়ির তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৩৬
সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর
দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিনদিন
আরও পানি বৃদ্ধির আংশকা
রয়েছে।
ফজলুপুর
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ প্রামানিক
জানান, পানি বৃদ্ধির সাথে
নদী ভাঙনও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
গত কয়েকদিনে উত্তর খাটিয়ামারী বাজারের মহিলা মার্কেট, দক্ষিণ খাটিয়ামারী গ্রামের একটি কালভার্ট, কয়েকটি
গ্রামের লোকজনের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি
নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷