ডাক্তারদের দায়িত্ব অবহেলায় সাদুল্লাপুর উপজেলায় হাসপাতালের বাইরে সন্তান প্রসব । জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেন এ্যাড, উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি সুযোগ পেল না গর্ভবর্তী মা। ফলে বাইরেই ফুটফুটে ছেলে সন্তান প্রসব। মানবতার কল্যাণে এগিয়ে না আসায় জড়িত অমানবিক ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেছেন গাইবান্ধা-০৩ পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি।
এসময় তিনি অসুস্থ রোগীর সার্বক্ষনিক সেবা প্রদানের পাশাপাশি দায়িত্ব অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা,সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসককে অবগত করেন।
প্রসূতি উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (ভাঙ্গা বাঁধের মাথা) গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, ২৫ মে ঈদের দিন বাড়িতে থাকা অবস্থায় বিকালে রাশেদা বেগমের প্রসব বেদনা উঠে। এসময় বিলম্ব না করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রাশেদাকে ভর্তি করে নিতে রাজি না হওয়ায় একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও, কর্ণপাত করেনি তারা। বাধ্যহয়ে ফিরে যাওয়ার মুহূর্তে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন স্থানেই সন্তান প্রসব হয়।
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক রিপন কুমার বর্মণ জানান, অধিক বয়সী গর্ভবর্তীদের প্রসবকালীন সময়ে রক্তক্ষরণ বেশী হয়। এ জন্য রাশেদাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়নি। তাকে অন্যত্র ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
এসময় তিনি অসুস্থ রোগীর সার্বক্ষনিক সেবা প্রদানের পাশাপাশি দায়িত্ব অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা,সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসককে অবগত করেন।
প্রসূতি উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (ভাঙ্গা বাঁধের মাথা) গ্রামের বাদশা মিয়ার স্ত্রী।
স্বজনরা জানান, ২৫ মে ঈদের দিন বাড়িতে থাকা অবস্থায় বিকালে রাশেদা বেগমের প্রসব বেদনা উঠে। এসময় বিলম্ব না করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা রাশেদাকে ভর্তি করে নিতে রাজি না হওয়ায় একাধিকবার অনুরোধ করা হলেও, কর্ণপাত করেনি তারা। বাধ্যহয়ে ফিরে যাওয়ার মুহূর্তে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেট সংলগ্ন স্থানেই সন্তান প্রসব হয়।
সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক রিপন কুমার বর্মণ জানান, অধিক বয়সী গর্ভবর্তীদের প্রসবকালীন সময়ে রক্তক্ষরণ বেশী হয়। এ জন্য রাশেদাকে ভর্তি করে নেওয়া হয়নি। তাকে অন্যত্র ভর্তির পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷