সাঘাটা উপজেলায় বোরো ধানের নতুন জাত ব্রি-ধান ৮৪ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে
এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বোরো ধানের নতুন জাত ব্রি-ধান ৮৪ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে কৃষকদের ব্রি-ধান ৮৪ চাষে আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই এখন সাঘাটা উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে ব্রি-ধান ৮৪ জাতের পাকা ধান। যা ইতোমধ্যে অনেক এলাকাতেই কৃষকরা এই ধান কাটতে শুরু করেছে।
কৃষকদের সুত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বোরো ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু যে পরিমাণ খরচ হয়েছে সে হিসেবে বাজারে দাম ভালো পেলে খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখা যাবে। কিন্তু বাজারে এখন পর্যন্ত ধানের যে দাম রয়েছে তাতে ধান বিক্রি করে কৃষকরা উৎপাদন খরচই ঘরে তুলতে পারবে না। তাই তারা আশা করছে পুরোপুরি ধানকাটা শেষ হয়ে গেলে পাইকাররা আসতে শুরু করলে ধানের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং তখন তারা ধান বিক্রি করবে। এই আশাতেই যে সমস্ত কৃষক আগে ধান কেটেছে তারা উৎপাদিত ধান শুকিয়ে গোলায় মজুদ করে রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
এব্যাপারে কৃষি বিভাগ সুত্রে জানানো হয়, এ জাতের ধান রোপন করে ভালো ফলন পেয়েছে এবার সাঘাটার কৃষকরা। উপজেলায় ১৩ হাজার ৯শ’ ৮৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। বিশেষ করে জিংক সমৃদ্ধ নতুন জাত ব্রি-ধান ৮৪ রোপন করে অনেকেই ফলন ভালো পেয়েছে। এছাড়াও উফশী জাতের ব্রি-২৮, ২৯, ৫৮, ৮৪ ও ৮১ জাতের ধান চাষেও ভালো ফলন হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
কৃষকদের সুত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বোরো ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু যে পরিমাণ খরচ হয়েছে সে হিসেবে বাজারে দাম ভালো পেলে খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখা যাবে। কিন্তু বাজারে এখন পর্যন্ত ধানের যে দাম রয়েছে তাতে ধান বিক্রি করে কৃষকরা উৎপাদন খরচই ঘরে তুলতে পারবে না। তাই তারা আশা করছে পুরোপুরি ধানকাটা শেষ হয়ে গেলে পাইকাররা আসতে শুরু করলে ধানের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং তখন তারা ধান বিক্রি করবে। এই আশাতেই যে সমস্ত কৃষক আগে ধান কেটেছে তারা উৎপাদিত ধান শুকিয়ে গোলায় মজুদ করে রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
এব্যাপারে কৃষি বিভাগ সুত্রে জানানো হয়, এ জাতের ধান রোপন করে ভালো ফলন পেয়েছে এবার সাঘাটার কৃষকরা। উপজেলায় ১৩ হাজার ৯শ’ ৮৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। বিশেষ করে জিংক সমৃদ্ধ নতুন জাত ব্রি-ধান ৮৪ রোপন করে অনেকেই ফলন ভালো পেয়েছে। এছাড়াও উফশী জাতের ব্রি-২৮, ২৯, ৫৮, ৮৪ ও ৮১ জাতের ধান চাষেও ভালো ফলন হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷