গোবিন্দগঞ্জে জমির ভূয়া মালিক সেজে মিথ্যা মামলা দিয়ে সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জমির ভূয়া মালিক সেজে মিথ্যা মামলা দিয়ে সংযোগ
দেওয়ার প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত করার প্রতিবাদ জানিয়ে
অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ভূক্তভোগী কৃষকদের সংবাদ
সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ মার্চ শনিবার সকালে উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের
শিহিপুর গ্রামে নিজ বাড়ীতে আয়োজিত এ সংবাদ সন্মেলনে লিখিত
বক্তব্য পাঠ করেন, শিহিপুর গ্রামের মৃত ওসমান আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী। তিনি
তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, শিহিপুর মৌজার জেএল নং-৭২,দাগ নং-১২৫১, মোট জমি
১.২৯ একর এর মধ্যে পৈত্রিক সূত্রে আমি ও আমার বড় ভাই ইব্রাহীম হোসেন, ৫৩
শতাংশের মালিক যা ১২৩৪ দাগের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত। উক্ত জমি আমি ও আমার
বড় ভাইয়ের ভোগ দখলে আছে। আবার ১২৫১ দাগের অবশিষ্ট ৭৬ শতাংশ জমির বর্তমান
মালিক গোলাম মোর্শেদ ও তার ভাই মওদুদ আহম্মেদ উভয় পিতা মৃত ছাদেক আলী,
ছাদেক আলীর মৃত্যুর তার দুই পুত্র পৈত্রিক সূত্রে এই ৭৬ শতাংশ জমির মালিক
হন। সুতরাং সোলায়মান আলীর উক্ত ১২৫১ দাগে কোন জমা-জমি নাই।
উল্লেখ্য যে, আনোয়ার হোসেন এর গভীর নলকূপ ১২৩৪ দাগে অবস্থিত। উক্ত গভীর
নলকূপের সাথে আমাদের মালিকানাধীন ১২৫১ দাগের কোন সম্পৃক্ততা নাই। আরও
উল্লেখ্য যে,একই কৃষি মাঠে সোলায়মান আলীর পুত্র মুনছুর আলীর অপর একটি গভীর
নলকূপ (গ-২৮৯) অবস্থিত। যার লাইসেন্স মুনছুর আলীর স্ত্রী সম্পা বেগমের
নামে। মুনছুর আলীর গভীর নলকূপের সেচ ব্যবসা একচাটিয়া করতে সোলায়মান আলী
আমার মালিকানাধীন জমির ভূয়া মালিক সেজে আনোয়ার হোসেনের গভীর নলকূপ (গ-১৬৫)
এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এতে আমি এবং আনোয়ার হোসেন এর গভীর
নলকূপের আওতাধীন প্রায় ৬০/৭০জন কৃষক জমিতে নির্বিঘ্নে সেচ কার্যক্রম করতে
না পারায় মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। আমি অত্র সাংবাদিক সম্মেলনের
মাধ্যমে উক্ত মিথ্যা মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা
প্রত্যাহার করে আনোয়ার হোসেন এর গভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের দাবী
জানান। এ সময় রাজাহার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল হাসান, প্রভাষক
আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী আপেল মাহমুদসহ এলাকার কৃষকগণ উপস্থিত
ছিলেন।



কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷