সুন্দরগঞ্জ ডি,ডব্লিউ, সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ এ,কে,এম হাবিব সরকার কর্তৃক রাস্তা কর্তণ ! ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী
গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজ পাড়াস্থ একটি রাস্তা সুন্দরগঞ্জ ডি,ডব্লিউ, সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ এ,কে,এম হাবিব সরকার কেটে ফেলেছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর । অাজ (বৃহঃবার) পৌরসভার ৮ নম্বর এলাকায় কেটে ফেলা রাস্তাটি দেখতে গেলে, এলাকায় বসবাসরত অনেকেই অধ্যক্ষ হাবিব সরকারের এমন হীন কাজের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় । তারা বলেন, "অামরা অপেক্ষা করছি বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের । যদি সমাধান না হয় ? অামরা সবাই মিলে হাবিব সরকারকে প্রতিহত করব" ।
রাস্তাটি কাটায় বিপাকে পরেছে ঐ এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি পরিবার । এর পাশাপাশি রাস্তাটি পাকাকরন করার জন্য পৌরসভা কর্তৃক টেন্ডার হয়েছিল । যে কাজ পেয়েছেন মোঃ গোলজার হোসেন নামের এক ঠিকাদার । কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঠিকাদার বলেন-অধ্যক্ষ অন্যায়ভাবে রাস্তাটি কাটায়, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হবেনা । কিছুদিন পরের বৃষ্টি-বাদল শুরু হলে কাজটি করা অারো দূরহ হয়ে যাবে । কাজটি সঠিক সময়ে শেষ করতে না পারলে অামি অার্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব ।
বিষয়টি জানতে চাইলে পৌর মেয়র অাব্দুল্লাহ্ অাল মামুন বলেন-" অধ্যক্ষ হাবিব সরকার এভাবে ৪০০/৫০০ মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি কেটে ফেলে অন্যায় করেছেন । অামি বারবার তাকে অনুরোধ করেও অালোচনায় বসাতে পারিনি । হাবিব সরকার নিজের ভুলটা বুঝতে চাচ্ছেন না "
৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, হাবিব সরকার রাস্তা কেটে ফেলার বিষয়টি সমাধান না করলে ? এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসাবে অামি তার বিরুদ্ধে অাইনী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব ।
এছাড়াও কলেজ পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক রাশেদ য্যোতি, কনক চন্দ্র বর্মন, গৃহিনী শাবানা বেগমসহ অনেকেই বিষয়টির দ্রুত সমাধান কামনা করেন । তাঁরা অারো বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সোলেমান অালী, থানার ওসি মোঃ অাব্দুল্লাহীল জামানসহ অারো অনেকেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও এখনো বিষয়টির সুরাহা সম্ভব হয়নি ।
অধ্যক্ষ এ,কে,এম হাবিব সরকারের মুঠোফোনে ফোন করলে তিঁনি ব্যস্ত থাকায় পরে কথা বলতে চান । এর দেড়/দু ঘন্টা পর পূনরায় তাঁকে ফোন করলে তিনি লাইনটি কেটে দেন ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রাস্তা সংলগ্ন পশ্চিম দিকের জমিটি কলেজের ও পূর্ব দিকের জমিটি জনৈক কলেজ শিক্ষক অামিরুল ইসলামের । অাজ উপজেলা প্রশাসন প্রেরিত সার্ভেয়ার জমিটি পরিমাপ করলে, দেখা যায় যে, রাস্তাটি পুরোটাই অামিরুল ইসলামের জমিতে পরেছে । এমতাবস্থায় রাস্তা উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ।


কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷