গাইবান্ধা এমন কিছু ক্রিকেট জুয়ারি ডিলার আছে তারা ঘড়ে বসে থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করে,
তারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়,
এদের কিছু মক্কেল আছে,
তারা শহরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ক্রিকেট জুয়ারি জোগার করে,
তার পর ফোনের মাধ্যমে তাদের ওভার টু ওভার বল টু বল ও রানের ওপর জুয়ার বাজি ধরে থাকে,
একজন ক্রিকেট জুয়াড়িদের ডিলার প্রতিদিন সে, তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকার,
ক্রিকেট জুয়া চালাইয়া থাকে,
এতে যুবসমাজ যেমন হুমকির মূখে,
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেক পরিবার,।
অনেকে এই জুয়া খেলে সবকিছু হারিয়ে, আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছে,
গাইবান্ধা শহরের, বিভিন্ন পাড়ায়, বাজারে, চায়ের হোটেলে এই খেলা জমজমাট চালাচ্ছে,
এখন আরো সহজ, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট দিয়ে এই ক্রিকেট জুয়া খেলা হয়।
তাদের মোবাইল নাম্বার ট্রাকিং করলে জুয়ার সকল তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার এর কাছে আকুল আবেদন এই যে, ক্রিকেট জুয়ার ডিলারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।
এবং যুবসমাজকে ক্রিকেট জুয়ার হাত থেকে মুক্ত করা হোক।
এদের কিছু মক্কেল আছে,
তারা শহরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ক্রিকেট জুয়ারি জোগার করে,
তার পর ফোনের মাধ্যমে তাদের ওভার টু ওভার বল টু বল ও রানের ওপর জুয়ার বাজি ধরে থাকে,
একজন ক্রিকেট জুয়াড়িদের ডিলার প্রতিদিন সে, তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লক্ষাধিক টাকার,
ক্রিকেট জুয়া চালাইয়া থাকে,
এতে যুবসমাজ যেমন হুমকির মূখে,
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেক পরিবার,।
অনেকে এই জুয়া খেলে সবকিছু হারিয়ে, আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছে,
গাইবান্ধা শহরের, বিভিন্ন পাড়ায়, বাজারে, চায়ের হোটেলে এই খেলা জমজমাট চালাচ্ছে,
এখন আরো সহজ, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট দিয়ে এই ক্রিকেট জুয়া খেলা হয়।
তাদের মোবাইল নাম্বার ট্রাকিং করলে জুয়ার সকল তথ্য বেড়িয়ে আসবে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার এর কাছে আকুল আবেদন এই যে, ক্রিকেট জুয়ার ডিলারদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।
এবং যুবসমাজকে ক্রিকেট জুয়ার হাত থেকে মুক্ত করা হোক।

কোন মন্তব্য নেই
মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷