https://www.effectivegatecpm.com/rn8qbtaqk?key=a6bb032d522890bffe519fa4928f6d14 সংবাদ প্রকাশের পর সেই স্কুলের খেলার মাঠ থেকে মাসকলাই উধাও - Gaibandha Online Portal

Breaking News

সংবাদ প্রকাশের পর সেই স্কুলের খেলার মাঠ থেকে মাসকলাই উধাও

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার সেই উদাখালী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ থেকে উধাও হয়েছে চাষ করা মাসকলাই।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠ ভর্তি যে মাসকলাই ছিল রাতের আধারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা সরিয়ে ফেলেছেন।
এর আগে গত সোমবার (৭ অক্টোবর) ‘ফুলছড়িতে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ বন্ধ করে মাসকালাই চাষ’ শিরোনামে একটি সংবাদ কমিউনিটি নিউজ পোর্টাল গণ উত্তরন, গাইবান্ধা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়।
সংবাদ প্রকাশের পর পরই টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। 
উদাখালী আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ননী গোপাল বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকরা আলোচনা করেই বিদ্যালয়ের মাঠে মাসকলাই লাগানো হয়েছিল।
পরে বিদ্যালয় মাঠে মাসকলাই চাষের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে বিদ্যালয় মাঠ থেকে মাসকলাই সরিয়ে ফেলা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাসকলাই পরিপক্ব হতে আরও এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতো। মাসকলাইয়ের কেবলমাত্র ফুল এসেছিল। এ অবস্থায় বিদ্যালয় মাঠ থেকে মাসকলাই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’
এ দিকে অভিভাবকরা বলছেন, প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশেই খেলার মাঠে মাসকলাই চাষ করা হয়েছিল।
শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ বন্ধ করে মাসকলাই চাষের বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।’
অত্র বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী বিথী আক্তার মানবিক শাখার (রোল ২৫) তার সঙ্গে কথা বললে বলেন বিদ্যালয় মাঠে কালাই থাকা অবস্থায় আমরা মাঠে বসে বান্ধবীর সাথে গল্প করতে পারতাম না। খেলতে পারতাম না, মাসকালাই তোলার পর আমরা এখন মাঠের ভিতরে খেলতে পারি বান্ধবীদের নিয়ে গল্প করতে পারি।
সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী শিমু আক্তার বলেন বিদ্যালয় মাঠে মাষকলাই যখন ছিল আমাদেরকে বাথরুম, টয়লেট ও পানি আনতে টিউবয়েলে যেতে ঘুরতে হত, এখন আমরা মাঠের ভিতর দিয়ে যেতে পারি।
৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী বাবলি আক্তার বলেন আমরা এখন বিরতির সময় মাঠের ভিতরে খেলাধুলা ও ছোটাছুটি করতে পারি।
এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. এনায়েত হোসেন জানান, ‘বিদ্যালয় মাঠে মাসকলাই চাষের বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আমার নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মাসকলাই সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাবের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
Image may contain: one or more people, people standing, tree, house, grass, sky, outdoor and nature

কোন মন্তব্য নেই

মনে রাখবেন: এই ব্লগের কোনও সদস্যই কোনও মন্তব্য পোস্ট করতে পারে৷